সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে হাট, অতঃপর পুলিশি আ্যাকশন

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সকল ধরনের গণজমায়েত নিষিদ্ধ থাকলেও সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বসেছিলো সাপ্তাহিক হাট। হাটে শত শত লোকের সমাগমও হয়েছিল।

পরবর্তীতে জনসমাগম এড়াতে উপজেলা প্রশাসন শুরু করে পুলিশি অ্যাকশন, বন্ধ হয়ে যায় হাট। আজ বুধবার (২৫মার্চ) বিকেল ৫টায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের জাটিগ্রাম বাজারে পুলিশকে এমন অ্যাকশন নিতে দেখা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, সপ্তাহের প্রতি রবিবার ও বুধবার জাটিগ্রাম বাজারে জমজমাট এই হাট বসে থাকে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গণজমায়েত হয় এমন হাট বন্ধ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে বসেছিল হাট।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্যাপক জনসমাগমের মাধ্যমে জাটিগ্রাম হাট চলছে। অথচ সোমবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে উপজেলার সকল হাট বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সরকারের পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত গণজমায়েত হয় এ রকম হাট বন্ধ থাকবে। কিন্তু আলফাডাঙ্গা উপজেলার জাটিগ্রাম দেখা যায় বিপরীত চিত্র। হাটে হাঁচি-কাশি, থুতু ফেলা, হাত মেলানা, কোলাকুলিসহ বন্ধ নেই সংস্পর্শে আসার কোন কিছুই।

পরবর্তীতে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন খবর পেলে হাটে আসে থানা পুলিশ। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে যারা অকারণেই হাটে ভীড় করেছিল ঠিক তখনই তাদের বিরুদ্ধে শুরু হয় পুলিশের আ্যাকশন। এসব মানুষের কাউকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আবার কাউকে শাসিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় পুলিশ। জনসমাগম এড়াতে বন্ধ করে দেওয়া হয় হাট।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাশেদুর রহমান বার্তা বাজারকে বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সকল প্রকার গণজমায়েত নিষিদ্ধ। বিষয়টি সম্পর্কে মাইকিং করে উপজেলার সর্বত্র জানিয়ে দেয়া হয়। তারপরও আইন লঙ্ঘন করে উপজেলার জাটিগ্রাম ও শিরগ্রাম বসেছিলো সাপ্তাহিক হাট। পরবর্তীতে হাট বন্ধ করে দেওয়া হয়।’

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর