প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২২/০৩/২০২০ ইং তারিখের একুশে টিভির অনলাইন পত্রিকায় “ত্রিমূখী দূর্নীতিতে অভিযুক্ত পঞ্চগড়ের মফিজার” নামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে বলা প্রতিটি কথাই আমার আত্মীয়(স্ত্রীর বড় ভাই) জনাব মোঃ সাহাবদ্দিন এর নামে বলা হয়েছে।

যাহাতে তাকে জমি দাতা হিসেবে উল্লেখ করে ১৫০ শতক জমির বিষয়টিতে বলা হয় মফিজার রহমান কলেজের প্রতিষ্ঠাতা জনাব মফিজার রহমান জোর পূর্বক জমিটি বেদখল দেয় এবং আমার আত্মীয় জনাব মোঃ সাহাবদ্দিন এর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাহাকে কিছুই দেওয়া হয় নাই।

যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমার আত্মীয় মোঃ সাহাবদ্দিনের প্রদানকৃত জমির মধ্যে ৬০ শতক জমি নির্ধারিত মূল্যে ৭০০০০০/-(সাত লক্ষ) টাকায় অত্র কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ নুর উল্লাহ ক্রয় করেন এবং ৬০ শতক জমির বাজার মূল্য অনুযায়ী মোট ৬৫০০০০/-(ছয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা দিয়ে মোঃ আবু তাহেরের কাছে ৩০০/- টাকার নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প মূলে সে বিক্রয় করেন।

পরবর্তীতে সেই জমিটি কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠাতা মোঃ মফিজার রহমান তাহার নামে কলেজ নামকরণের জন্য দেওয়া রক্ষিত ১৫০০০০০/-(পনের লক্ষ) টাকা হতে মোঃ আবু তাহেরের নিকট ৯৭৫০০০/-(নয় লক্ষ পচাত্তর হাজার) টাকায় ক্রয় করেন যাহাতে আমিসহ স্থানীয়রা সাক্ষী হিসেবে দস্তগত করেছি, কলেজের রাস্তার জন্য ০৮ শতক জমির পরিবর্তে কলেজের অন্যত্রে থাকা ২২ শতক জমি তাহাকে প্রদান করেন কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং বাকী ১৭ শতক জমি কলেজের নামে এককালীন দান করে,
যাহার পরিপ্রেক্ষিতে সে বর্তমানে দাতা সদস্য হিসেবে আছে কিস্তু এখন পর্যন্ত দানকৃত ১৭ শতক জমি কলেজ কর্তৃপক্ষকে দখল দেয় নাই।

প্রকাশ থাকে যে, উপরোক্ত জমি অংশগুলোর সর্বমোট প্রায় ১৪৫ শতক জমি চলমান রেকর্ডে কলেজের নামে খতিয়ানভূক্ত
হয়। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে আমি আরো প্রতিবাদ জানা”িছ যে, ইতিপূর্বে মানুষের প্ররোচনায় সে অভিযোগ আনায়ন করলেও তাহা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর, সার্কেল) ও সদর থানার দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ কর্তৃক এস.আই. রুহুল আমিন সরে
জমিনে তদন্ত পূর্বক এবং সাক্ষীগণের মোকাবেলার ভিত্তিতে অভিযোগের কোন সত্যতা ও ভিত্তি পায় নাই মর্মে যথাক্রমে বিজ্ঞ চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরবর্তীতে উক্ত প্রতিবেদনের আলোকে তাহার দ্বারা পিটিশন মামলা নং ৯৯/১৯, ধারা-৪২০/৪০৬/৩৪ পিসি ও অন্যান্য অভিযোগগুলো খারিজ হয়ে
যায়। এমতাবস্থায় তাহাকে জান-মালের ক্ষতিসাধনসহ মানুষের কাছে হেয় প্রতিপন্ন

করার জন্য উদ্দেশ্য-প্রনিত ভাবে মোঃ মমিনুল ইসলাম এবং তার সহযোগি একটি কু-চক্রী ও চাঁদাবাজীমহল আমার আত্মীয় মোঃ সাহাবদ্দিনের নাম ভাঙ্গিয়ে দৈনিক সংবাদপত্রে বিভিন্ন খবর ও অভিযোগ করিয়া বেড়াইতেছে। যাহাতে আমার আত্মিয় মোঃ
সাহাবদ্দিনের কোন প্রকার হাত ও সম্পর্ক নেই। আমি উক্ত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
মোঃ আব্দুস সাহিদ
সাবেক ৭৮ নং গাড়াতি ছিটমহলের
স্থানীয়দের পক্ষে

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর