নতুন করে টেন্ডার হলেও অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার পায়তারা ইউপি চেয়ারম্যানের কুিমল্লার তিতাস উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নে ১৫ বছরেও নির্মাণ হয়নি বারামবাড়ি- নয়ারচর সেতু। উক্ত স্থানে নতুন করে আরেকটি ব্রীজ করার টেন্ডার হলেও ব্রীজটি অন্য এলাকায় করার জন্য পায়তারা করছে ¯স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এমন অভিযোগ উঠেছে এলাকাবাসীর পক্ষথেকে।
অনুসন্ধানে জানা যায় ৪ দলীয় জোট সরকারের আমলে বারামবাড়ি- নয়ারচর ব্রীজটি টেন্ডার হলে আংশিক কাজ করে রহস্য জনক কারনে কাজ বন্ধ করে পালিয়ে যায় ঠিকাদার। এদিকে উক্ত ¯স্থানে ৩৬ ফুট দৈর্ঘ নতুন ব্রীজ নির্মাণের টেন্ডার হয় যার ব্যয় ধরা হয়েছে ত্রিশ লাখ সত্তর হাজার নয় শত আটচল্লিশ টাকা।
কাজটি পায় মেসার্স মদিনা কন্সষ্ট্রাকশন,ডালুয়া/নাঙ্গলকোর্ট/কুমিল্লা। কাজটি পহেলা সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং তারিখে শুরু করে ৬০ দিনের মধ্যে অর্থাত পহেলা নভেম্বর ২০১৯ইং শেষ করার কথা থাকলেও অদ্যবধি উক্ত ব্রীজের কাজ শুরু করেনি ঠিকাদার।
এদিকে এলাকাবসীর পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে উক্ত¯স্থানে ব্রীজ না করে ইউনিয়নের অন্যত্র ব্রীজটি নিয়ে যাওয়ার পায়তারা করতেছে ¯স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ঠিকাদার। নয়ারচর গ্রামের রফিক মেম্বার বলেন দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে এই গ্রামের মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন নৌকায় করে বা পায়ে হেটে যাতায়ত করতে হয় এবং বারামবাড়ি নয়ারচর খালে চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ব্রীজ নির্মাণ কাজ শুরু করলেও ঠিকাদার কম্পানী আংশিক কাজ করে রহস্য জনকভাবে কাজ না করে চলে যায়।
তিনি আরো বলেন এই ব্রীজটি না হওয়ায় নয়ারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিরামবাড়ি প্রায় একশ শিক্ষার্থী নৌকা দিয়ে যাতায়ত করতে হয়। ওই গ্রামের সমাজ সেবক খলিল মিয়া বলেন অনেক বছর পর আমাদের বিরামবাড়ি-নয়ারচর খালে একটি ব্রীজ হবে শুনে গ্রামবাসী খুব খুশি হয়েছে কিন্তু হঠাৎ করে এখন শুনতেছি উক্ত ব্রীজটি এখানে না করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলায় দরখাস্ত দিয়েছেন।
এলাকাবসীর দাবি যথা¯স্থানে ব্রীজটি নির্মাণ করে গ্রামবাসীর যোগাযোগ ব্যব¯’া সহজতর করা হোক। এবিষয়ে উপজেলা পিআইও মোঃ আহসান উল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন ¯স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ব্রীজটি অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার সালাহ উদ্দিন বলেন যেই যায়গায় ব্রীজটি টেন্ডার হয়েছে সেখানে ঠিকাদার মালামাল নেওয়া সম্ভব না বলেই আমি অন্যত্র ব্রীজটি করা জন্য আবেদন করেছি যাতে উক্ত ব্রীজের টাকাটা ফেরৎ না যায়।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তারের নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন বিষয়টি পিআইও এর নিকট থেকে জেনে ব্যবস্থা নিবো।
কেএ/বার্তাবাজার