দেশের মানুষ এখন আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছে । মরণঘাতী করোনা নিয়ে সবার মধ্যে ভয় কাজ করছে । এদিকে করোনার জন্য ফাকা হতে শুরু করেছে ঢাকা । আর তার মধ্যেই আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল থেকে শুরু হয়েছে ঢাকা-১০, গাইবান্ধা-৩ ও বাগেরহাট-৪ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন ভোটগ্রহণ । সকাল ৯টায় শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
করোনার বিস্তারের মাঝে নিজেদের নিরাপত্তার পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন নির্বাচনী কর্মকর্তারা। তারা বলেন, মক ভোটিংয়ে কোনো লোকই পাওয়া যায়নি। আসল অবস্থায় কয়জন ভোটার পাবো আমাদের সন্দেহ আছে। তবে করোনা প্রতিরোধে কেন্দ্রগুলোতে সার্বিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে দাবি করে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানান রিটার্নিং অফিসার জি এম সাহাতাব উদ্দিন।
করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় প্রতিটি কেন্দ্রে একটি করে নির্দেশনামূলক ফেস্টুন, প্রতিটি কক্ষের জন্য একটি করে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও টিস্যুর প্যাকেট দেয়া হয়। তবে ভাইরাস রোধে দেয়া হয়নি কোন মাস্ক।
তিন আসনের মধ্যে ঢাকা-১০ আসনটিতে এবার মোট ভোটার ৩ লাখ ২১ হাজার ২৭৫ জন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৬ জন প্রার্থী। তিনটি আসনের মধ্যে ঢাকা-১০ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট হচ্ছে। এছাড়া গাইবান্ধা-৩ ও বাগেরহাট-৪ আসনের উপনির্বাচন হচ্ছে ব্যালেটের মাধ্যমে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে অংশ নিতে আওয়ামী লীগের ফজলে নূর তাপস আসনটি ছেড়ে দিলে এ আসনটি শূন্য হয়।
এদিকে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর ও পলাশবাড়ী) আসনে মোট ভোটার চার লাখ আট হাজার ৭৪ জন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৩২ এবং ভোটকক্ষ ৭৮৬টি। এ নির্বাচনে চার জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উম্মে কুলসুম স্মৃতি, বিএনপির অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জাতীয় পার্টির মইনুল রাব্বী চৌধুরী এবং জাসদের এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি।
এছাড়া বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা) আসনে মোট ভোটার দুই লাখ ৯৭ হাজার ৪৩৪ জন। ভোটকেন্দ্র ১৪৩টি এবং ভোটকক্ষ ৬২৯। এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুজন প্রার্থী। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের মো. আমিরুল আলম মিলন এবং জাতীয় পার্টি থেকে সাজন কুমার মিস্ত্রী।