বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় বিপদ হলো করোনা । যার সংখ্যা প্রতিদিন বেড়েই চলছে । করোনার সর্বোচ্চ বেশী ঝুঁকিতে ডাক্তার-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীরা। যারা সবসময় মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন । দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম পাচ্ছেন না তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব চিকিৎসকের পারসনাল প্রটেকটিভ ইকুপমেন্ট বা পিপিইর আওতায় আসার প্রয়োজন নেই। করোনা রোগীর সেবায় নির্দিষ্ট চিকিৎসক দলের কাছে পৌঁছে দিতে হবে প্রয়োজনীয় এ সুরক্ষা সরঞ্জাম।
রাজধানীর কয়েকটি হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগ ঘুরে দেখা যায়, কোনো ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই সেবা দিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। ব্যক্তিগত সুরক্ষার কথা বিবেচনায় নিয়ে রোগীর চিকিৎসা দানেও বিরত থাকছেন অনেকে।
সেবিকারা বলেন, কী আর দুঃখের কথা বলব। আমরা আমাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের নেই কোনও গ্লাভস, স্যানিটাইজারসহ আরও অনেক প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।এমন বাস্তবতাকে সাথে নিয়েই সেবা দিচ্ছেন চিকিৎকরা।
পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ঢাকা মেডিকেল কলেজের একজন চিকিৎসক তাদের অভিযোগের কথাগুলো তুলে ধরেন সময় সংবাদের কাছে।
তিনি বলেন, আমাদের যেহেতু শনাক্ত করার সুযোগ থাকে না। তাই ডাক্তার, নার্সরা ভয়ে ভয়ে রোগীদের চিকিৎসা দেয়।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সবাইকেই পারসনাল প্রটেকটিভ ইকুপমেন্ট বা পিপিইর আওতায় আসার প্রয়োজন নেই। এছাড়া করোনা রোগী ব্যবস্থাপনার জন্য ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা আগামী দুই দিনের মধ্যে এক লাখের মতো নিজেদের ইকুপমেন্ট বিতরণ করব।
এখন পর্যন্ত ১৮২টিরও বেশি দেশে ছড়িয়েছে মরণঘাতী এ করোনা ভাইরাস। এ রোগে সারাবিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখ ৫৬ হাজার ৮০২ এবং মারা গেছেন ১০ হাজার ৫৪০ জন। শুধু চীনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৮০ হাজার ৯৬৭ এবং মারা গেছেন তিন হাজার ২৪৮ জন। এছাড়া ইতালিতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ইতালিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪ হাজার ৩২ জনে।