ফরিদপুরের বোয়ালমারীর গাঁও গেরাম হেরিটেজ পার্কের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে পার্কটির কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে উপজেলার চতুল ইউনিয়নের হাসামদিয়া গ্রামে অবস্থিত গাঁও গেরাম হেরিটেজ পার্কের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পার্কটির উদ্যোক্তা মির্জা জাকারিয়া বেগ।
এ সময় তিনি বলেন, দীর্ঘদিন আমি বাঙালি ও বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিকমূলক কর্মকান্ডে এবং পর্বতারোহী দলের সাথে জড়িত। বিভিন্ন সময় এলাকার কিছু স্বার্থান্বেষী মহল আমার এসব কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি করে এসেছে এবং করছে।
তারই একটি অংশ হিসেবে আমার পারিবারিক জায়গায় তৈরি হাসামদিয়া গাঁও গেরাম হেরিটেজ পার্কটির ক্ষতি করতে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে গত ৮ মার্চ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে অশ্লীল ও ভিনদেশী নগ্ন ছবি সম্বলিত ব্যানার বানিয়ে মানববন্ধন করে। যার সাথে এই পার্কের কোন সম্পৃক্তা নেই।
বোয়ালমারীসহ আশেপাশের উপজেলায় কোন বিনোদনমূলক জায়গা না থাকায় এবং এলাকার সুশীল সমাজ, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের অনুরোধে আমাদের পারিবারিক মৎস্য খামারকে ঘিরে গড়ে তোলা বিলুপ্তপ্রায় ও বিরল বৃক্ষরাজি ও ঔষধি গাছের জীবন্ত সংগ্রহশালা, মিনি চিড়িয়াখানা ও আবহমান বাংলার ঐতিহ্য ও ইতিহাস রক্ষার উদ্দেশ্যে কৃষি যাদুঘরকে পার্ক হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছি, যার কাজ এখোনও চলছে।
তাই আপনাদের মাধ্যমে আমি এলাকাবাসীকে জানাতে চাই, গাঁও গেরাম শুধু বিনোদন মূলক পার্কই নয়। এ পার্কটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যই হচ্ছে ধুমপান, অশ্লীলতা আর সব রকম মাদকমুক্ত একটি আনন্দপূর্ণ আদর্শ আর ঐতিহ্যবাহী এক টুকরো বাংলাদেশ উপহার দেওয়া।
পার্কটি ঘুরে দেখা যায় বিরল প্রজাতির প্রায় ২ শত বৃক্ষ সহ দেশি-বিদেশি হরেক রকম বৃক্ষাদির উদ্যান গড়ে তোলা হচ্ছে।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।
বার্তাবাজার/এমকে