করোনা: চুয়াডাঙ্গায় নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য কেনার হিড়িক, বাজারে আগুন (ভিডিওসহ)

চুয়াডাঙ্গায় করোনা ভাইরাসের কারণে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে এমন ভেবে জনসাধারণ হঠাৎ করেই চাল আলুসহ জীবানুমুক্ত ঔষধ এবং অন্যান্য সামগ্রী কিনে মজুদ করতে শুরু করেছে। আর এ কারণেই জেলার সবস্থানে চালের বাজারে প্রতি কেজী চালে সর্বচ্চো ১০টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সাথে জীবানুমুক্ত ঔষধ ১২০ টাকার হেক্সীসল বিক্রি হচ্ছে ৫শ থেকে ৬শ টাকায় তার পরেও এই পন্যটি বর্তানে বাজার শূন্য। ১০ টাকার মাক্স বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায় ৫০টাকার মাক্স বিক্রি হচ্ছে ১৫০টাকায় । তার পরেও পাওয়া যাচ্ছে না।

জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার শুক্রবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা চালসহ সকল মার্কেট সরেজমিনে মনিটরিংকালে চাউলসহ অন্যান্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি কেন তার খোঁজ নেন এবং বিক্রেতাদেরকে সতর্ক করে দেন, তারা যেন দেশের এই সময়ে সুয়োগ গ্রহণ না করে । তিনি মার্কেটিং অফিসার ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাউলসহ অন্যান্য পণ্যের মূল্য যারা অসাভবিকহারে বৃদ্ধি করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া নির্দেশ দিয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গায় চাউলের বাজারের খচুরা চাউলের দোকানদাররা বলছেন, চড়া দামে ক্রয় করায় চড়া দামেই বিক্রি করছি। তারা দোষ চাপাচ্ছে বড় বড় আড়ৎদারদের উপর।

সাধারণ ক্রেতদাদের অভিযোগ গত সপ্তাই যে চাউল ৩০টাকায় কিনেছে সেই চাউল ৪২টাকায় কিনতে হচ্ছে। আটা প্রতি কজীতে ৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৫টাকার আলু ২৫টাকা,৩৫টাকার পেঁয়াজ ৬০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১২০ টাকার একটি হেক্সিসল বিক্রি হচ্ছে ৫শ থেকে ৬শ’ টাকায় তার পরেও বর্তমানে বাজার শূণ্য জেলার কোনো ফার্মেসীতে এই পন্য নেই । এছাড়া ১০টাকার একটি মাক্স বিক্রি হচ্ছে ৬০টাকায় এবং ৫০টাকার মাক্স ১৫০টাকায় বিক্রি হচ্ছে তার পরেও এখন পাওয়া যাচ্ছে না।

জেলা প্রশাসক বাজার মনিটরিং করার সময় বিক্রেতাদের সশর্তর্ক করে বলেন আপনারা দেশের এই ক্রান্তিকালে সুযোগ নেবেন না। সরকারের পাশে থাকবেন । অতিরিক্ত দামে পন্য বিক্রি করলে আপনাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভিডিও আসছে…

বার্তা বাজার/এস.আর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর