যশোরের অভয়নগর ও কেশবপুর উপজেলায় বিদেশ ফেরত ১৩জন প্রবাসীকে হোম কোরেনটাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। অভয়নগর ও কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার তালিকা ও নির্দেশনা মোতাবেক বিদেশ ফেরত অভয়নগর উপজেলায় বসবাসরত ৮ জন ও ৫ জন প্রবাসীকে নিজ বাড়িতে সাময়িকভাবে পর্যবেক্ষণে (কোরেনটাইনে)রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(১৯শে মার্চ)সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত দুই উপজেলা নির্বাহী অফিসারগন ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও কয়েকজন সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে অভয়নগর উপজেলার বনগ্রামের আসাদুল করিম(ইতালি ফেরত),মাগুরা গ্রামের আমিনুর(ইতালি ফেরত)ও শহিদুল(ইতালি ফেরত),চেঙ্গুটিয়া গ্রামের আবদুল কাদের (সিঙ্গাপুর ফেরত), পায়রা গ্রামের মুসা(সৌদি ফেরত),ভাঙ্গাগেট এলাকার জিহাদুল(সিঙ্গাপুর ফেরত),বুইকরা গ্রামের রহিমা বেগম(দুবাই ফেরত)ও বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের সাত্তার মোল্যা(মালয়েশিয়া ফেরতদের) বাড়িতে অপরদিকে কেশবপুর উপজেলার একই পরিবারের একই ব্যক্তির দুই স্ত্রী রাশিদা,আকলিমা ও একই গ্রামের আলমগীর(২২)তারা সম্প্রতি ভারত থেকে ফিরেছে।এছাড়াও উপজেলার বায়শা গ্রামের ৩১ বছর বয়সী আব্দুস সালাম (দক্ষিণ কোরিয়া ফেরত) অপরদিকে মহিলা সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের ৩৩ বছর বয়সী মাসুরা (দুবাই ফেরত)।
তাদের খোঁজখবর নেন এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত তাদেরকে বাড়িতে অবস্থান করার নির্দেশ দেন।এ ব্যাপারে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান রিজভী জানান,এ পর্যন্ত অভয়নগর উপজেলায় এই ৮জন বিদেশ ফেরত প্রবাসীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
এবং কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার জাহাঙ্গীর আলম জানান,কেশবপুরের ভান্ডারখোলা গ্রামে ভারত থেকে ফিরে এসেছেন তিনজন।তাদের মধ্যে দুই জন মহিলার বয়স ৫০ বছরের বেশী।তারা সম্প্রতি দুবাই,ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে দেশে এসেছেন।
তবে ৫ জনই সুস্থ্য থাকায় তাদের করোনা পরীক্ষা করানো হবে না বলে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানিয়েছে।স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন,তারা সকলেই সুস্থ্য রয়েছে। তাদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের কোন উপসর্গ আপাতত নেই।সেজন্য তাদের পরীক্ষা করা হবে না।
১৪ দিন পার না হওয়া পর্যন্ত তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।যেভাবে তাদের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে তার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।তবে হাসপাতাল সূত্র জানা গেছে,বায়সা গ্রামের দক্ষিন কোরিয়া ফেরত আব্দুস সালাম বুধবার (১৮ই মার্চ)অসুস্থ্য হয়ে কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি হন।পরে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় তিনি হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়।
কেএ/বার্তাবাজার