করোনা সংক্রমণ : কোচিং সেন্টার খোলা রাখায় ৫ শিক্ষকের জেল-জরিমানা

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের জারি করা বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে প্রাইভেট পড়ানোর অপরাধে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর পৌর এলাকার দুটি কোচিং সেন্টারের চার শিক্ষককে সাত দিনের জেল ও এক নারী শিক্ষককে বিশ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেন, আল-মামুন, হাফিজুর রহমান, মনিরুল ইসলাম, খায়রুল ইসলাম ও শিউলি আক্তার। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে তাদের এ দণ্ডাদেশ দেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুনা লায়লা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে পৌর এলাকায় অবস্থিত দুটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছিল। এমন খবরে সকাল ১০টার দিকে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে কোচিং সেন্টার দুটিতে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুনা লায়লা। এসময় আটক করা হয় শিক্ষক আল-মামুন, হাফিজুর রহমান, মনিরুল ইসলাম, খায়রুল ইসলাম ও নারী শিক্ষক শিউলি আক্তারকে। পরে দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে চার শিক্ষককে সাতদিনের জেল ও নারী শিক্ষককে বিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুনা লায়লা বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে দুটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে আটকের পর চার শিক্ষককে ১৯৬০ সালের দণ্ডবিধি ১৮৮ ধারায় সাতদিনের কারাদণ্ডাদেশ ও নারী শিক্ষককে ২৬৯ ধারায় বিশ হাজার টাকা জরিমনা করা হয়।

বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর