মানবেতর জীবনযাপন করছেন ট্রেন দুর্ঘটনায় পা হারানো এলাজ মিয়া

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন ট্রেন দুর্ঘটনায় পা হারানো এলাজ মিয়া অস্বচ্ছল পরিবারে তিনটি সন্তান নিয়ে অসহায়ের জীবন যাপন করছে। ২০ বছর আগে এক ট্রেন দুর্ঘটনায় তার একটি পা কেটে যায়। তারপর থেকে স্বল্প উপার্জনে আহারের ব্যবস্থাতেই টানাটানি।

জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করা অতিকষ্ট সাধ্য। যেখানে বৃষ্টির পানি পড়তেই ঘরে প্রবেশ করে। আমি শুনেছি অসহায় ও গরীবের জন্য প্রধানমন্ত্রী মুজিব শতবর্ষে স্থানীয় সাংসদ সদস্য মাধ্যমে গৃহহীন মানুষকে একটি করে বসত ঘর দিচ্ছেন।

আমি তখন ইউনো সাহেবের কাছে একটি ঘর পাওয়ার আশায় আবেদন করি। আমার মত অসহায় আর আছে কি না তা জানিনা। তবে একটি সরকারী ঘর আমি এবং আমার পরিবারের জীবন বদলে দিবে-আবেগ ভরা আকুতি নিয়ে কথাগুলো বলেছেন পাকুন্দিয়া উপজেলা পাঠুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের শিমুলিয়া গ্রামের ইমাম উদ্দিন ছেলে এলাজ মিয়া।

জানা যায়, বাড়িতে গরু ছাগল পালন করে কোন মতে তাদের ৫ জনের সংসার জীবন অতিবাহিত করেন। একমাত্র বড় ছেলে শিমুলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫শ্রেণিতে পড়ে আর মেয়েরা দুজন ছোট।

একমাত্র জরাজীর্ণ বসত ঘরটি প্রতিনিয়ত তাদের স্বপ্ন ভঙ্গের কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে ওই বাড়ি ও গ্রামের লোকজন বলেন, এলাজ মিয়া ও তার পরিবার অনেক অসহায়। তারাই প্রকৃত গৃহহীন। তাই তাদেরকে একটি বসত ঘর দেয়া একান্ত প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।

স্থানিয় ইউপি সদস্য বলেন,এলাজ মিয়া পরিবার অত্যন্ত গরীব ও অসহায়। আমি তাদের সম্পর্কে জানি। একটি সরকারী ঘর হলে তাদের আবাসন দূর্দশা দূর হবে। তাই এই ঘরটি দেয়ার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে তিনি বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানান।

ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাহাবদ্দীন বলেন, এই পরিবারটি আমার নির্বাচনী এলাকায় তারা অত্যন্ত গরীব তাদের একটি বসত ঘরের খুব প্রয়োজন। একটি সরকারী ঘর পাওয়া তাদের নাগরিক ন্যায্য অধিকার। সঠিক মাত্রায় ও সঠিক নিয়মে তারা এই ঘরটি পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই সাংসদ সদস্য নুর মোহাম্মদ ও উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু , উপজেলা নির্বাহীকর্মকর্তা নিকট দৃষ্টি কামনা করেন।

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর