মুন্সীগঞ্জ জেলার ছয়টি উপজেলায় ৪৬ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। তাদের নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বাড়িতে অবস্থান করার জন্য পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন আবুল কালাম আজাদ।
হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকাদের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৭ জন, গজারিয়াতে এক, টংগিবাড়ীতে ১৩, সিরাজদিখানে তিন, শ্রীনগরে ৮ ও লৌহজং উপজেলায় ৪ জন।
মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, সোমবার সকাল পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জ জেলার ছয়টি উপজেলায় ৪৬ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। প্রতিদিন স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। ৪৬ জনকে বাইরে ঘোরাফেরা না করে বাসায় অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন হোম কোয়ারেন্টাইনে নতুন যোগ হচ্ছে আবার ১৪ দিন শেষে তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন অনেকে। চলতি মাসের ১ মার্চ থেকে যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন তারা তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন৷
মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে শুধু বিদেশ ফেরতদের কোয়ারেন্টাইনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। গতকাল পর্যন্ত এর সংখ্যা ছিল ২৪ জন।
অপরদিকে মুন্সীগঞ্জের শহরের কয়েক সচেতন নাগরিক জানিয়েছেন হোম কোয়ারেন্টাইনের বিষয়টি হাস্যকর। কারণ যেখানে হাসপাতালে ১৪দিন পর্যাবেক্ষণে রাখা যাচ্ছে না সেখানে বাড়িতে তারা চুপচাপ হোম কোয়ারেন্টাইন করবে? প্রবাসী সকলকেই একটি নিদৃষ্ট জায়গায় কোয়ারেন্টাইন করা উচিত বলে মনে করছেন তারা।
বার্তাবাজার/এমকে