দেশে উৎপাদিত নতুন করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ কিট ব্যবহারে স্বল্প সময়ে জানা যাবে সন্দেহজনক ব্যক্তি এই ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা। বর্তমানে ভাইরাসটি শনাক্ত করতে যে কিট ব্যবহার করা হয় সেটি সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল। দেশে উৎপাদিত কিট ব্যবহারে খ্রচও অনেক কমে যাবে।
দেশে যে কিটগুলো উৎপাদিত হবে তা দিয়ে মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিটে করোনাভাইরাসের প্রাথমিক উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এতে একটি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ব্যয় হবে দু’শ টাকা। যেখানে বর্তমানে সরকারিভাবে একটি পরীক্ষা করতে ব্যয় হয় প্রায় ৫ হাজার টাকা।
গণস্বাস্থ্য-আরএনএ বায়োটেক লিমিটেড উৎপাদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ইতিমধ্যে কাজটি শুরু করেছে।
গণস্বাস্থ্য-আরএনএ বায়োটেকের পক্ষে গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডা. মুহিব উল্লাহ খন্দকার জানান, এর আগে ২০০৩ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সার্স ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করে। তখন বাংলাদেশি চিকিৎসা বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল সার্স ভাইরাস শনাক্তকরণ কিট আবিষ্কার করেন। সেই ড. বিজন বর্তমানে গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজে কর্মরত। যেহেতু সার্স এবং নতুন করোনাভাইরাস একই গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। তাই সার্স শনাক্তকরণ কিটের কিছুটা পরিবর্তন এনে স্বল্প সময়ে নতুন করোনাভাইরাস শনাক্তের কিট তৈরি করা সম্ভব।
ইতিমধ্যে এই চিকিৎসা বিজ্ঞানী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়লজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নিহাদ আদনানসহ কয়েকজনকে নিয়ে এই কিট তৈরির কাজ শুরু করেছেন। সোমবার (১৬ মার্চ) ‘ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরে’ এই কিট উৎপাদন অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করা হবে বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি।র
একটি চাইনিজ কোম্পানি এটি বাজারজাত শুরু করেছে। এছাড়া বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন জার্নালে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
বার্তাবাজার/এসজে