প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে ইউরোপের দেশ ইতালিতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই ভাইরাস মোকাবিলায় দেশটিতে ৬ কোটি জনগনকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। যার মধ্যে প্রায় দেড় লাখ বাংলাদেশি রয়েছে।
একদিনে ইতালিতে প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৮০৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
জরুরি অবস্থায় যানবাহনও আগের মতো না চলায় দেশটিতে দুর্ভোগ বেড়েছে। ইতালির সরকার করোনার মহামারি সামাল দিতে নতুন নতুন আদেশ জারি করে একের পর এক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিচ্ছে। সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব প্রতিষ্ঠানই বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। সর্বত্র প্রশাসনের কঠোর নজরদারি করছে। এমনকি সর্বসাধারণের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
।চীনের পর করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ইতালিতে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য পরামর্শ নিতে চীন থেকে একদল বিশেষজ্ঞ গত শুক্রবার ইতালিতে এসে পৌঁছেছেন। ইতোমধ্যে তারা স্পালানজানি হাসপাতাল পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং ইতালিয়ান চিকিৎসকদের সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিতে আলোচনা করছেন।
চীনের উহান শহর থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ১ লাখ ৬৭ হাজারন ৫৪৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। এতে মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৪৫৫ জনের। এ পরিস্থিতিতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস