আজ মঙ্গলবার সকাল ৬:০৭, ১৭ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ২রা কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৬শে মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী

মুশফিকদের কিছুটা স্বস্তি এনে দিল বৃষ্টি

নিউজ ডেস্ক | বার্তা বাজার .কম
আপডেট : মার্চ ৯, ২০১৭ , ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ
ক্যাটাগরি : খেলাধুলা
পোস্টটি শেয়ার করুন

তৃতীয় দিনটা স্বপ্নের মতো হলো না টাইগারদের জন্য। লাঞ্চের আগে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারায় সফরকারীরা। কোচের আকাঙ্খার সাড়ে ৫ রানের ধারেকাছেও যেতে পারল না শিষ্যরা। শ্রীলঙ্কার ৪৯৪ রানের জবাবে ৩১২ রান করতেই সব উইকেট হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিতে আকাশ ভেঙে নেমে এল বৃষ্টি। বৃষ্টি নামার পর চা বিরতি দেওয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত খেলা শুরু হয়নি। আজ খেলা হওয়ার সম্ভাবনাও কম। ক্রিকইনফো বলছে, গলে এখন মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। তৃতীয় দিনের শেষ সেশনটা বৃষ্টি যদি দখল করে নেয় তবে হয়তো ড্র করার একট সুযোগ পেতে পারে বাংলাদেশ। যদিও শ্রীলঙ্কা এখন ১৮২ রানে এগিয়ে।

দিনের শুরুতেই সাবলীল ব্যাটিংয়ে আশা জাগানো সৌম্য সরকারের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনে শেষে ৬৬ রানে অপরাজিত থাকা সৌম্য আজ ১৩৭ বলে ৮ চার এবং ১ ছক্কায় ৭১ রান করে লাকমলের শিকার হন। লাকমলের শর্ট বলে বিভ্রান্ত হয়ে দিলরুয়ান পেরেরার হাতে ক্যাচ দেন। এটি বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত। সৌম্যর পর আক্রমণাত্বক হতে গিয়ে বাজে বলে উইকেট বিলিয়ে আসেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তিনি ১৯ বলে ২৩ রান করে আউট হন। সান্দাকানের বলটি ফাইন লেগ দিয়ে পাঠাতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ব্যাটের কানায় লেগে তা চলে যায় কিপার ডিকাভিলার হাতে।

সাকিবের বিদায়ের পর দ্রুতই ফিরে যান মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ। তার ব্যাটে রানখরা যেন কাটছেই না। দলীয় ১৮৪ রানে লাহিরু কুমাররা দারুণ এক ইয়র্কারের সরাসরি বোল্ড হয়ে যান ২৬ বলে ৮ রান করা রিয়াদ। মাত্র ৮ রানের ব্যবধানে অধিনায়ক রঙ্গনা হেরাথের প্রথম শিকারে পরিণত হন অনেকদিন পর দলে সুযোগ পাওয়া উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান লিটন দাস। হেরাথের বলে গুনারত্নের হাতে ক্যাচ দেন ১৩ বলে ৫ রান করা লিটন। এরপর শুরু হয় অধিনায়ক মুশফিক আর তরুণ মেহেদী মিরাজের লড়াই।

১৯২ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর মিরাজকে নিয়ে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন মুশফিক। দুজনে মিলে সপ্তম উইকেটে ১০৬ রানের জুটি গড়েন। দলের রান যখন ২৯৮ তখন ভাঙল সেই প্রতিরোধ। শিকারী অফস্পিনার দিলরুয়ান পেরেরা। মেহেদী মিরাজ আর তাসকিন আহমেদকে এক ওভারেই প্যাভিলিয়নে পাঠালেন তিনি। দুজনেই লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে। আউট হওয়ার আগে ৭৭ বলে ৪১ রান করেন মেহেদী মিরাজ। আর প্রথম বলেই ফিরতে হয় তাসকিনকে।

সব আশা শেষ হয়ে যাওয়ার পর মুশফিকও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। সর্বোচ্চ ৮৫ রান করে হেরাথের বলে বোল্ড হয়ে যান অধিনায়ক। দারুণ লড়াকু ১৩৭ বলের ইনিংসটিতে তিনি ৮টি চার এবং ১টি ছক্কা মেরেছেন। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে রঙ্গনা হেরাথের শিকার হন মুস্তাফিজুর রহমান (৪)। ১৪ বল খেলে কোনো রান না করে অপরাজিত শুভাশিস রায়। দলীয় ৩১২ রানের সময় বৃষ্টিদেবীর আগমন ঘটে। চা-বিরতির ঘন্টাও বেজে ওঠে।