প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণে ইতালিজুড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ভয় আর আতঙ্ক বিরাজ করছে সর্বত্র। বুধবার সন্ধ্যায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী গুসেপ্পে কোন্টে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে দেশে জরুরি অবস্থার ঘোষনা দেন।
এর আগে, গত ৭ই মার্চ পর্যন্ত করোনাভাইরাস প্রভাব বেশি এমন ১৪টি প্রদেশকে রেড জোনের আওতায় আনা হয়েছিলো। সেই সকল অঞ্চলে মানুষের প্রবেশাধিকার ও বের হওয়ার অধিকার ছিলনা। ঘর থেকে বের হওয়ার নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
কিন্তু গত দুইদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃতের সংখ্যা এত পরিমান বেড়ে যায় যে শুধু ১৪টি প্রদেশ বা অঞ্চলই নয় তার বাইরে পুরো দেশকে রেড জোন, এবং প্রোটেক্ট জোন বা সংরক্ষিত এলাকা হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এখানে বলা হয় যে, এই সংরক্ষিত অঞ্চলের এই সময়গুলোতে ঘর থেকে অতি প্রয়োজন ছাড়া বের হতে পারবে না। যেমন কাজে যাওয়া, হসপিটালে কিংবা পুলিশের কাছে যাওয়া এমন কোন জরুরি কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া যাবে না। এ সময় অপ্রয়োজনীয় ঘুরাঘুরি করা মানুষদের জেল ও জরিমানা হতে পারে।
করোনার প্রভাবে পুরো ইতালির অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে। ইতালিতে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ওপরও পড়েছে এর প্রভার। কারণ বাংলাদেশীরা যে ধরণের কাজ করে সেখানে লোক ছাটাই হচ্ছে। ইতালিতে এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্তে সংখ্যা ৯ হাজার ১৭২ জন এর মধ্যে মারা গেছেন ৪৬৩ জন।
বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস