চীন থেকে ছড়িয়ে যাওয়া করোনাভাইরাসে বাংলাদেশেও ৩ জন আক্রান্ত হয়েছে এমন খবরে একদিনেই বেড়ে গিয়েছে মাস্কের চাহিদা। আর জনসাধারণের চাহিদা মেটাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকার অর্ধ শতাধিক পোশাক কারখানার কারিগরেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন মাস্ক তৈরীতে। যদিও চিকিৎসকরা বলছেন, অপ্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহার বাড়াতে পারে সংক্রমণ।
কিছুদিন আগেও কল্পনা আক্তার নিজের কারখানায় শিশুদের পোশাক তৈরি করতেন । কিন্তু সম্প্রতি চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কম সময়ে কম খরচে তৈরী কক্রছেন মাস্ক। প্রতিদিন গড়ে তৈরি করা ১২শ’ মাস্ক বিক্রি করছেন পাইকারি হারে ডজন প্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকায়।
কল্পনা জানান, আগে বাচ্চাদের সুয়েটার বানাতাম এখন মাস্ক বানাই। আগে একটা ৪০ টাকা করে বিক্রি করছি এখন একটা মাস্ক ৬০ টাকা করে বিক্রি করি।
কল্পনার মত দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকার ছোট ছোট সব পোশাক কারখানাগুলোতে দিন-রাত চলছে মাস্ক তৈরির কাজ।এরকম অনেকেই ব্যবসা খুলে বসেছেন কেরানীগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায়।
যদিও চিকিৎসকরা বলছেন মাস্ক ব্যবহার নিয়ে অতি বাড়াবাড়িতে বিপদের শঙ্কা আছে। মাস্ক ব্যবহারের চেয়ে হাত ধোঁয়াকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।
বার্তাবাজার/এসজে