ঋতুকালীন স্বাস্থ্য সম্মত টয়লেটে সারা পেয়েছে গাইবান্ধার স্কুলগুলো
গাইবান্ধার পলাশবাড়ির প্রত্যন্ত অঞ্জলে ঋতুকালীন স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট (ইনক্লুসিভ স্যানিটেশন সুবিধা) বেশ কিছু স্কুলের মেয়ে শিক্ষার্থীদের জীবণাচরণে পরিবর্তন এনেছে। আগের মত তাদের আর ভোগান্তিতে ভুগতে হয় না।
বিদ্যালয়ে ঋতুকালীন স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট কর্মসূচিতে দরিদ্র জনগোষ্ঠী থেকে আসা মেয়েরা বিশেষভাবে উপকৃত হচ্ছে। শারিরীক ও প্রাকৃতিক বিষয়গুলোকে তারা প্রকাশ্যে লজ্জাকর মনে করতো। রিতুকালীন বা মেয়েদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার দিকটা কেউ গুরুত্ব দিয়ে দেখত না। অনেক মেধাবী ছাত্রী শুধু এই কারণেই স্কুলে অনিয়মিত হয়ে পড়ে। কিন্তু স্কুলের ওই কমপ্লেক্সে ন্যাপকিন থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সামগ্রী থাকায় এখন সেই পরিস্থিতি আর নেই।
বিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রীর সাথে কথা হলে তারা জানায়, আগে আমরা অনেক কিছুই জানতে পারতাম না, ঋতুকালীন সময় হলে প্রতি মাসে ৩ থেকে ৫ দিন বাড়ীতে থাকতে হতো।
ঋতুকালীন স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট স্থাপনের পর বিদ্যালয়ে মেয়েদের উপস্থিতিও বাড়ছে অনেক। ছাত্রীরাও অনেক খুশি মনে বিদ্যালয়ে আসতে আগ্রহী হয়ে উঠছে। ফলে তাদের পড়াশুনার মান বাড়ছে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মেজবাহুল হোসেন বলেন, ওয়াশ ইন স্কুল প্রজেক্টে ঋতুকালীন স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট চালু রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে উপ-পরিচালক মোছা. রোখছানা বেগম বলেন, ঋতুকালীন স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট এটি সময় উপযোগী এবং যুগোপযোগী।
উল্লেখ্য, বাস্তবায়ন সহযোগী বেসরকারী সংগঠন এসকেএস সূত্র জানায়, ওয়াস ইন স্কুল প্রকল্পের মাধ্যমে ঋতুকালীন স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট সংশ্লিষ্ট সরকারী প্রতিষ্ঠানের কারিগরি সহযোগিতায় পলাশবাড়ি উপজেলার নয় ইউনিয়নের ৬২টি মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয় এবং মাদ্রাসাকে পর্যায়ক্রমে এই সুবিধাদানের আওতায় আনা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৪৫টি বিদ্যালয়ে এই সুবিধা চালু হয়েছে। আরও ১৭টি বিদ্যালয়ে এটি প্রক্রিয়াধীণ।
বার্তাবাজার/এমকে