এ মুহূর্তে করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকানো আর আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সচেতন হলে এটি মোকাবিলা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। আতঙ্কিত হয়ে অযথা মাস্ক ও স্যানিটাইজারের দিকে না ছুটে হাত ধোয়া ও হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় সাধারণ শিষ্টাচার মেনে চলার জোর পরামর্শ তাদের।
সব শঙ্কাকে সত্যি করে অবশেষে বাংলাদেশে করোনা। আইইডিসিআর এর দেয়া রোববারের (০৮ মার্চ) তথ্য মতে আক্রান্ত তিনজনের দুইজন ইতালি থেকেই বহন করে এনেছে কোভিড ১৯। অপরজন এই দুই জনের একজনের পরিবারের সদস্য। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মুহূর্তে এর ব্যাপক হারে সংক্রমণ ঠেকানোই বড় চ্যালেঞ্জ হবে। আর সেক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিভাগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও বড় ভূমিকা রাখতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ বলেন, যাদের লক্ষণ দেখা গেছে তাদেরকে আইসল্যুসনে রেখে এমনভাবে সেবা দিতে হবে। যাতে তারা আক্রান্ত না হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তুতির ঘাটতি নেই করোনা মোকাবিলায়। উত্তরায় ২০০ শয্যার একটি হাসপাতাল সম্পূর্ণ প্রস্তুত করোনা রোগীদের সেবা দিতে। তৈরি আরো একটি হাসপাতাল। এছাড়া যারা চিকিৎসায় নিয়োজিত থাকবেন তাদের নিরাপত্তায়ও নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।
প্রধানমন্ত্রীর একান্ত চিকিৎসক অধ্যাপক এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, জেনারেল কোন হাসপাতালে রোগী ভর্তি করা হবে না। এদের জন্য আলাদা হাসপাতাল রাখা হয়েছে। সরকার এর জন্য দুইটা হাসপাতাল রেডি করেছে। যারা আক্রান্ত হয়েছে এবং যারা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাদেরকে ওই হাসপাতালে রাখা হবে।
এখনই অযথা আতঙ্কিত হয়ে মাস্ক কিংবা স্যানিটাইজারের পেছনে না ছুটে সতর্ক থাকার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের । তারা বলছেন, হাঁচি কাশি দেয়ার ক্ষেত্রে সচেতন থাকার আর সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিলেই অনেকটা নিরাপদে থাকা যাবে।
প্রধানমন্ত্রীর একান্ত চিকিৎসক বলেন, অযথাই মাস্কের পিছনে দৌড়ানোর দরকার নেই। সিম্পল সাবান পানি দিয়ে মিনিমাম বিশ সেকেন্ড হাত ধুইলে এতেই হবে।
সময় সংবাদ
বার্তাবাজার/কে.জে.পি