ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে মাদ্রাসা পড়ুয়া এক কিশোরী মেয়েকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। নির্যাতিতার মা বাদি হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় ধর্ষক ও তার সহযোগীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে সোমবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করেছে।
উপজেলার সোহগী ইউনিয়নের হাটুলিয়া গ্রামের হানিফ মিয়ার বখাটে ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (১৯) পাশের গ্রামের এক কিশোরী (১১) মেয়েকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি কিশোরী মেয়েটিকে বাড়ির কাছের রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় জাহাঙ্গীর। ওই অবস্থায় মেয়েকে না পেয়ে সম্ভাব্য সকল স্থানে খুঁজাখুঁজি করে কিশোরীর পরিবার। গত ২ মার্চ মেয়েটির পরিবার খবর পায় ভালুকা উপজেলার সাতেঙ্গা গ্রামের মিলন মিয়ার বাড়িতে কিশোরী মেয়েটিকে আটকে রাখা হয়েছে। ওই দিন সেখানে গিয়ে মেয়েটিকে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। বিষয়টি নিয়ে গত রোববার ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নির্যাতিতার মা। এতে জাহাঙ্গীর আলম ও তার সহযোগী দরিবৃ গ্রামের আবদুল মজিদের ছেলে মিলন মিয়াকে আসামি করা হয়। পরে রাতেই সোহাগী এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীর ও মিলমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের সোমবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. মোখলেছুর রহমান আকন্দ বলেন, কিশোরী মেয়েটিকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত ও তার সহযোগিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস