তথ্য গোপনের অভিযোগে কালো তালিকাভুক্ত হওয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষক অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিনসহ পৃথক দুটি অভিযোগের ভিত্তিতে তিন শিক্ষককে শোকজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ সাক্ষরিত আলাদা দুটি বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
ঐ বিজ্ঞপ্তি থেকে আরো জানা যায়, ইবির ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিনের বিরুদ্ধে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (২০১৮ সালের ১২ ই আগষ্ট তারিখে অনুষ্ঠিত ৬২ তম সভার ৩নং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী) তথ্য গোপনের অভিযোগে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো ধরনের কার্যক্রমের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণাসহ কালো তালিকাভুক্ত করা হয়।
যার ফলে তার এরূপ অনৈতিক কার্যকলাপের জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে উল্লেখ করে, তাকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে এ ধরণের কাজের যথাযথ ব্যাখ্যা প্রদান করতে বলা হয়েছে।
রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এসএম আব্দুল লতিফ সাক্ষরিত অপর একটি বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমানের নামের স্থলে ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মিজানুর রহমান এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিট্যালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিনের স্থলে বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল হকের স্বাক্ষরের সাদৃশ্য যৌথ স্বাক্ষর সম্বলিত বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত একটি পত্র ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে।
উক্ত পত্রের দ্বিতীয় পাতায় প্রথম প্যারায় বলা হয়েছে ‘ এটা আরও স্পষ্ট যে, এই মহলটি আপাদমস্তক অনিয়ম দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা নিমজ্জিত। বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ডঃ মোঃ হারুন উর রশিদ আসকারী কে রক্ষা করার জন্য এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নেমেছে। এরূপ বক্তব্যের ব্যাপারে এবং অন্যান্য উদ্ধৃতি অভিযোগের গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণাদি আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে পত্রে স্বাক্ষরকারীদেরকে দিতে বলা হয়েছে।
বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস