প্রেমিকার দিকে তাকানো ও গাঁজা সেবন নিয়ে কথা বলাকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদেরকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ প্রাঙ্গনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছে উত্তর কাটিয়া এলাকার ছাত্রলীগ নেতা মির্জা ইব্রাহিম, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র এবং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেন ও আরিয়ান আলিফ।
উজ্জ্বল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদের অনুসারী ও ইব্রাহিম জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী আশিকুর রহমানের অনুসারী বলে জানা গেছে
আহত ছাত্রলীগ নেতা উজ্জ্বল হোসেন জানান, ‘সকালে ইব্রাহিম গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় ছাত্রলীগ কর্মী ফরহাদ তাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সঙ্গে সঙ্গে ইব্রাহিম বলে, ওর গার্লফ্রেন্ডের দিকে তাকানোর মিথ্যা অভিযোগ এনে ফরহাদকে মারতে শুরু করে। সেখান থেক একটু সড়ে গিয়ে ফরহাদ আমাকে ফোন দিলে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থামানোর চেষ্টা করি। এ সময় ইব্রাহিম ও তার সঙ্গীরা আমাকে ছুরি মারে।’
অপরদিকে হাসপাতালে ভর্তি ইব্রাহিম জানান, আজ সকালে তিনি তার এক বান্ধবীকে নিয়ে কলেজ মাঠে দাঁড়িয়েছিলেন। পাশে ছাত্রলীগ কর্মী ফরহাদ গাঁজা সেবন করছিলেন। এ নিয়ে ইব্রাহিম তাকে নিষেধ করলে তখন ফরহাদ তার বান্ধবীকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করে। এই নিয়ে তর্ক করে ফরহাদ তার বন্ধুদের ডেকে আনে। তখন ফরহাদের ফোন পেয়ে আসা ছাত্রলীগ কর্মী উজ্জ্বল তাকে ছুরি মারে। খবর পেয়ে তার পক্ষের কয়েকজন এসে উজ্জ্বলকেও মারধর করে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ‘তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুইপক্ষের গণ্ডগোলের খবর পেয়েছি। তবে এ বিষয়ে কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ দেয়নি।’
বার্তাবাজার/এসজে