রাজশাহীর পদ্মা নদীর পাড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ কনে সুইটি খাতুন পূর্ণিমাসহ সাতজনকে ফিরে পাওয়ার জন্যে অপেক্ষা করছেন স্বজনরা। নৌকাডুবির প্রায় ১৬ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ায় তাদের জীবিত উদ্ধারের আশা ছেড়েই দিয়েছেন তারা।
এর আগে আজ (শনিবার) বেলা সোয়া ১টার দিকে কনের খালাতো ভাই এখলাসের মরদেহ দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় জেলেরা জাল ফেলে এবং তার সাহায্যে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ তীরে আসতেই হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। উদ্ধার করা মরদেহটি রামেক হাসপাতাল মর্গে নেয়া হয়েছে।
এছাড়া সকালে ভাটিতে চারঘাটের ইউসুফপুর বিওপির সামনে পদ্মা থেকে কনের চাচি মনি বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে বিজিবি। মর্মান্তিক এ নৌকাডুবিতে এখন পর্যন্ত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হলো। গতকাল (শুক্রবার) উদ্ধার করা হয়েছে কনে সুইটির ভাগনি মরিয়ম খাতুনের (৮) মরদেহ। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
নৌকাডুবিতে জীবিত উদ্ধাররা হলেন বর আসাদুজ্জামান ওরফে রুমন আলী (২৬), কনের বোন বৃষ্টি খাতুন (২২), নৌকার মাঝি খাদিমুল ইসলাম (২৮), সুমন আলী (২৮) ও তার স্ত্রী নাসরিন বেগম (২২) এবং মেয়ে সুমনা আক্তার (৬)। দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার তৎপরতা চলছে। শনিবার দুপুরে অভিযানে অংশ নিয়েছে বিআইডব্লিউটিএর পাঁচ সদস্যের একটি দল। এখনও খোজ মেলেনি মনি বেগমের স্বামী শামীম ও মেয়ে রশ্মি, কনে সুইটি, কনের দুলাভাই রতন, কনের খালা আঁখি, কনের ফুপাতো বোনের মেয়ে রুবাইয়া।
বার্তাবাজার/কেএ