হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার লস্করপুর রেলস্টেশনটি যাত্রী না থাকার অযুহাতে ১৫ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। স্টেশনের পরিত্যক্ত ভবনগুলো এখন অন্ধকারে নিমজ্জিত রয়েছে। নিজেদের দখলে প্রভাবশালীরা নিয়ে যাচ্ছে স্থাপনাগুলো। স্থানীয়দের লোকজনের দাবী পুনরায় চালু হউক বন্ধ হওয়ার স্টেশনটি।
জানা যায়, এই স্টেশনটি এক সময়ে মুখর থাকতো যাত্রীদের কোলাহলে। চলত পণ্য উঠা নামানোর জমজমাট ব্যবসা। কালের বিবর্তনে সেই স্টেশন এখন হারিয়ে গেছে। প্রায় ১৫ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার লস্করপুর রেলস্টেশনটি।
হবিগঞ্জের লস্করপুর রেলস্টেশনটি চালু করা হয় ব্রিটিশ আমলে ১৯২৮ সালে। ঢাকা-সিলেট ও সিলেট-চট্টগ্রাম স্টেশন দিয়ে যাতায়াতকারী তিনটি ট্রেন যাত্রা বিরতি করতো ওই স্টেশনে। স্টেশনের মাস্টার, পয়েচম্যানসহ ১২ জনের জনবল ছিল। যাত্রীদের কোলাহল ও পণ্য উঠা নামানোর জমজমাট ছিল স্টেশনটি। কিন্তু যাত্রী কম হওয়ার অজুহাতে ১৫ বছর ধরে রেলস্টেশন বন্ধ রয়েছে। রেলস্টেশন বন্ধ হওয়ার পর রেলস্টেশনের ভবন বেদখলের পাশাপাশি এখন অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকে সার্বক্ষণিক। যাত্রীদের অনেক দূর গিয়ে নতুন স্টেশনে করে যাতায়াত করতে হয়। এতে করে বিরম্বনায় পড়ে এলাকাবাসী।
যাত্রী কম থাকার কারণে স্টেশনটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। যদি এলাকার দাবি থাকে তাহলে মন্ত্রণালয়ের পুনরায় আবেদন করলে মন্ত্রণালয় বিষয়টি বিবেচনা করবে বল জানায় শায়েস্তাগঞ্জ রেলস্টেশনের প্রধান ম্যানেজার সাইদুল ইসলাম।
শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গাজীউর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে পুনরায় স্টেশনটি চালুর ব্যাপারে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে প্রয়োজনে এমপি মহোদয়ের ডিও নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে আবেদন করা হবে।
বার্তাবাজার/এসজে