মুখোশের পর এবার টিস্যু বক্সেও বঙ্গবন্ধুর ছবি!

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি শনিবার বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ছবি দিয়ে মুখোশ বানিয়ে তা শিক্ষার্থীদের পড়িয়ে স্বাগত জানানো হয়েছিল শিক্ষামন্ত্রীকে। এবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-তে টিস্যু বক্সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ছেপে দিয়েছে । বিভিন্ন কক্ষে বিতরণের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সম্বলিত টিস্যু বক্স রাখা হয়েছে। পরপর দুটো ঘটনাতেই বইছে সমালোচনার ঝড়।

৫৬ টাকা মূল্যমানের এই টিস্যু বক্সগুলো সরবরাহ করেছে এসএমএস টেকনোলজিস নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।এ বিষয়টা জানতে পেরে ফেসবুক স্ট্যাটাসে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু উল্লেখ করা হলো,

‘মুজিববর্ষের লোগো অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে যত্রতত্রভাবে প্রিন্ট করার একটি ঘটনা যা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে হয়েছে, তা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে এই প্রিন্টের বক্সগুলো বাজেয়াপ্ত করেছি এবং এর পিছনে কে সেটি জানাতে বলেছি। পরিকল্পিত ভাবে এই কাজ করা হয়ে থাকলে অবশ্যই শাস্তি পেতেই হবে। আমাদের সমাজ, প্রশাসন, রাজনীতিক পরিমন্ডলের সবখানেই অবিবেচক আর অতিউৎসাহীর কোনো কমতি নাই। পাশাপাশি অপরাজনৈতিক শক্তির দোসররা তো আছেই! এরা চাইবে যে কোনো ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে, বিতর্ক সৃষ্টি করতে। এই চ্যালেঞ্জটি আমাদের আছেই। এই বিশাল প্রশাসনের কোথায় কে কোন বিতর্ক ঘটিয়ে ফেলেছে তা আগে থেকে নিয়ন্ত্রণ কঠিন। তাই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আর ব্যবস্থা নিয়েই আমাদের এগোতে হবে। সকলের অবগতির জন্য আমরা জানাচ্ছি “মুজিববর্ষের” আনুষ্ঠানিকতা কার্যক্রম, ইত্যাদির দিক নির্দেশনা দেয়ার জন্য একটি জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি আছে। এর প্রধান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। এই কমিটি কর্তৃক নির্দেশিত কাজের বাইরে কিছু করতে চাইলে আমাদের প্রানপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন দুস্থ, গৃহহীন, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কল্যানমূলক কিছু করতে, যেমন তাদের জন্য গৃহনির্মান। এতে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় তার সাধারণ মানুষের জন্য যেই সমান অধিকারের দেশ তিনি রেখে যেতে চেয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নের পথে আমরা অনেক দুর এগুতে পারবো। সুতরাং অতিউৎসাহীরা সাবধান!
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
#Mujib100’

জানা যায়, টিস্যু বক্স আনার দায়িত্বে ছিলেন, মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন), উপ-পরিচালক (বিশেষ) ও উপপরিচালক (প্রশাসন) । তাদের বিরুদ্ধে যথাযত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি উঠেছে।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর