অগ্নিদগ্ধ পুষ্প রানী বাঁচতে চায়

নীলফামারীর ডিমলায় দুই সন্তানের জননী অগ্নিদগ্ধ পুষ্পা রানী বাঁচতে চায়। উপজেলা সদর ইউনিয়নের কেয়ার বাজার এলাকার খগেন্দ্র রায়ের স্ত্রী পুষ্প রানী (৩৫) জীবিকার সন্ধানে প গড় জেলার দেবিগঞ্জ উপজেলার একটি অটো রাইস মিলে শ্রমিকের কাজ করত।

সেখানে তুষের আগুনে পরে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে পুষ্প রানীর শরীরের বেশিরভাগ অংশ পুড়ে যায়। সেখান থেকে তার স্বামী দিনমজুর খগেন্দ্র রায় স্ত্রীকে নিয়ে এসে প্রথমে দেবিগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করায়।

সেখানে দিনদিন তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানতরিত করেন। সেখানে কয়েকদিন চিকিৎসার পর চিকিৎসার খরচ বহন করতে না পারায় পুষ্প রানীকে বাড়ীতে ফিরিয়ে আনা হয়।

অর্থের অভাবে পুষ্প গত তিনমাস যাবত বিনা চিকিৎসায় বাড়ীতেই মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। মঙ্গলবার সন্ধায় অগ্নিদগ্ধ পুষ্পর শারিরীক অবস্থার আরো অবনতি হলে তার স্বামী স্থানীয় সাংবাদিকদের সহযোগিতায় তার মুমর্ষ স্ত্রীকে ডিমলা হাসপাতালে ভর্তি করায়।

বর্তমানে মুমর্ষ পুষ্প ডিমলা হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় রয়েছে। ডিমলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ সারোয়ার আলম বলেন, যত তারাতারি সম্ভব অগ্নিদগ্ধ পুষ্পকে বাচাঁতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (বার্ন ইউনিটে) উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন।

সেখানে সঠিক চিকিৎসা পেলে পুষ্প সুস্থ্য হয়ে উঠবে। কিন্তু গরীব অসহায় দিন মজুর স্বামীর পক্ষে পুষ্পর উন্নত চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পুষ্পর স্বামী খগেন্দ্র রায় তার স্ত্রীর উন্নত চিকিৎসা করে অগ্নিদগ্ধ মুমর্ষ পুষ্পকে বাচাঁতে দেশের সকল শ্রেনীর মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন করেন। পুষ্পকে সাহায্য পাঠানোর বিকাশ নাম্বার ০১৭৮৩-০২৯২৮০ (পুষ্প)।

বার্তাবাজার/কেএ

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর