গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় গিমাডাঙ্গা মধ্যপাড়া ছেলে মাসুদ রানা। বঙ্গবন্ধুর প্রেমে নিজের ভিটেমাটি সর্বস্ব খুঁইয়ে এখন তিনি নিঃস্ব।তবুও দমেনি বঙ্গবন্ধুর প্রেমে মাসুদ রানা। কমেনি বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা। সারাদিনের তার বঙ্গবন্ধুর প্রেমী কর্মকান্ডের কারণে পাগল না হয়েও এলাকার মানুষের কাছে তিনি এখন পাগল মাসুদ নামে পরিচিত।
মাসুদ সাংবাদিকদের জানান, তার পিতাও চাচারা ছিলেন ৫ভাই। তার পিতাও ২ চাচা ছিলেন পঙ্গু। ৭ বছর বয়স থেকেই মাসুদ ও তার বাবাসহ ২ চাচা ৩২ নাম্বার বঙ্গবন্ধুর বাড়ীতে ও মসজিদে থেকে দিন যাপন করতেন। সকাল হলে আবার বাবাকে নিয়ে ভিক্ষা করতে বেরিয়ে পড়তেন।
বাড়ি টুংগীপাড়া হলেও মাসুদের বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামীলীগের প্রতি ভালোবাসা জন্ম হয় ঢাকা থেকেই। মাসুদের বয়স যখন ১৪/১৫ তখন থেকেই তিনি আওয়ামী লীগের সব ধরনের মিছিল মিটিং এ হাজির হতেন এবং তারই ধারাবাহিকতায় তিনি আজও সবধরনের আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রোগ্রামে হাজির হন এবং ও তার মতো করে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেন।
এমনকি তিনি বিভিন্ন সময়ে প্রতিবেশি জেলার আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা নিজ খরচে স্বেচ্ছায় শ্রম দিয়ে থাকেন। পরিবার থেকে বিভিন্নভাবে বাধা ও বোঝানোর সত্বেও দমানো যায়নি তাকে। বরং দিন দিন বেড়েই চলেছে আওয়ামী লীগের প্রতি ভালোবাসা।
নিজ সংসারের প্রতি তার খেয়াল নেই। এ ধরনের কর্মকান্ডের ফলে তার স্ত্রী তাকে ফেলে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে তাঁকে ছেড়ে চলে যায়। তারপরেও কোনো আফসোস নেই মাসুদের। সর্বশেষ তার শেষ সম্বল আড়াই শতাংশ জমি, ঘর ও মালামাল বাজারের দাম ৫লক্ষ টাকা থাকা সত্বেও তিনি মাত্র ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।
সেই টাকা দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-৩ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ হাসিনার জন্য ব্যানার ফেস্টুন তৈরি ও লিফলেট ছাপিয়ে বিতরণ করেন। শেখ হাসিনার জন্য ভোট চেয়ে বেড়িয়েছেন এলাকাবাসীর কাছে। তার চাওয়া ছিলো শেখ হাসিনা যেন আবার জিতে ক্ষমতায় গিয়ে দেশের সেবা করতে পারে ।
তিনি দাবি জানান, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ার মাটি যেন আনন্দে মুখরিত হয়ে উঠে এবং সফলভাবে পালন হয়।
বার্তাবাজার/কেএ