স্বামী অনিককে তালাক দেয়ার কারণ ডিভোর্স নোটিশে শাবনূর নিজেই জানিয়েছেন। সেখানে তার স্বমী অনিক মাহমুদ হৃদয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অনেক অভিযোগ এনেছেন ঢাকাই সিনেমার আলেচিত নায়িকা শাবনূর।
অনিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে শাবনূরের অ্যাড. কাওসার আহমেদ বলেন,শাবনূরের স্বামী অনিক
একজন মাদকাসক্ত। সবসময় রাতে মাতাল হয়ে বাসায় ফেরেন অনিক। কিছু বললে শাবনূরকে নানারকম মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতে থাকেন।
নোটিসে শাবনূর আরো বলেন, সব সময় মদ্যপান থাকার কারণে আমি এবং আমার সন্তানের প্রতি দায়িত্ব পালন করেন না অনিক। অস্ট্রেলিয়ায় এমন একাকি জীবনে ঠিকমতো শাবনূরের যথাযথ যত্ন ও দেখাশোনা করে না।
একজন মুসলিম স্ত্রীর সঙ্গে একজন মুসলিম স্বামীর যে ব্যবহার করার কথা অনিক সেটা করছেন না বলে অভিযোগ শাবনূরের। অনিকের বিরুদ্ধে শাবনূর আরো অভিযোগ এনেছেন, ছেলের জন্মের পর থেকে অনিক দিন দিন আরো দূরে সরে থাকা শূরু করে।
সময় বাড়ার সাথে সাথে শাবনুর জানতে পারেন অস্ট্রেলিয়ায় অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়েন অনিক এমনকি আলাদা বসবাস করছেনি ঐ নারীর সঙ্গে। এরপরও সব মেনে নিয়ে স্বামীকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলে উল্টো অমানসিক নির্যাতন সইতে হয়েছে শাবনূরকে। তিনি বলেছেন, এসব কারণে তারা জীবনে অশান্তি নেমে এসেছে। এক সময় বিরক্ত হয়েই তার কাছ থেকে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন।
সবশেষে তালাকনামায় শাবনূর লিখেছেন, ‘এসব কারণগুলোর জন্য আমার কাছে মনে হচ্ছে তার সঙ্গে আমার এক ছাদের নিছে বসবাস করা সম্ভব নয় এবং আমি কখনো সুখী থাকতে পারব না। তাই নিজের সুন্দর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছেদ করতে চাই। তাই মুসলিম আইন এবং শরিয়ত মোতাবেক আমি তাকে তালাক দিতে চাই। আজ থেকে সে আমার বৈধ স্বামী নয়, আমিও তার বৈধ স্ত্রী নই।’
বার্তাবাজার/কেএ