আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে পড়েছে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য দলের উচ্চ পর্যায় হতে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে একক প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করলেও মনোনয়ন প্রত্যাশী একাধিক নেতা বেছে নিয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ।
বিগত কয়েকদিন যাবত আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বেশ আলোচনা সমালোচনার পর এবার বিএনপিতেও দেখা যাচ্ছে একই জটিলতা। মহানগর বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় নেতারা বিদ্রোহী প্রার্থীদের বুঝাবার চেষ্টায় ব্যস্ত রয়েছেন। তবে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা সরে না দারালে চিন্তার কোন কারণ নেই বলে জানান বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় এক নেতা।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর জানান, দলে বিদ্রোহ ঠেকাতে এবং দলীয় প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী সবার কাছ থেকে আগেই অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে। তারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে দলীয় ভাবমূর্তি ও একতা ধরে রাখার জন্য তাদের এখনো বুঝিয়ে রাজি করার চেষ্টা চলছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিদ্রোহীদের নিয়ে বৈঠকও করা হবে। এরপরও তাদের ঠেকাতে না পারলে সাংগঠনিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি রয়েছে। রয়েছে তাদের দল থেকে বহিস্কারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত।
তিনি আরো বলেন, “প্রতিটি ওয়ার্ডগুলোতে মনোনয়ন কার্যক্রমের পুরো দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মহানগর নেতাদের। পাশাপাশি কেন্দ্র ও মহানগর নেতাদের সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটিও করা হয়েছিল। সবকিছু ভেবে চিন্তেই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। কাজেই বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে কেহ দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে দাড়ানোর কোন যুক্তি নেই।”
অপরদিকে, “মনোনয়ন না পাওয়া বিদ্রোহী প্রার্থীরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের দাবি একাধিক ক্ষেত্রে প্রার্থী নির্বাচনে কোন মানদন্ড ও যোগ্যতা বিচার বিবেচনা ছাড়াই কেবল লবিং, তদবির ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। দলের প্রয়োজনে যারা রাজপথে আন্দোলনের পাশাপাশি দলের দুঃসময়ে হাল ধরেছেন, মামলা হামলার শিকার হয়েছেন। তাঁদের মূল্যায়ন করা হয়নি।”
বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস