‘ক্রিকেটারদের দেখার পর আমার একটা উপলব্ধি হলো, আমরা যখন জয় পেতে থাকি তখন শুধু জয়ের কথাই ভাবি। আর যখন খারাপ সময় আসে তখন পুরোপুরি হতাশায় ডুবে যাই। কোচিং স্টাফে রাসেলকে (ডোমিঙ্গো) নিয়ে আমি চেষ্টা করি, খেলোয়াড়দের আবেগের মাত্রা ঠিক রাখতে।
তাহলে এর সমাধানের উপায় কী? এই অবস্থা থেকে বের হওয়ার জন্য বাংলাদেশের কোচিং স্টাফের সদস্যরা কী করছেন?- ম্যাকেঞ্জির কথার কারনে তাকে এসব প্রশ্ন। জবাবে ম্যাকেঞ্জি জানান, এটি আসলে কোনো সমস্যার মধ্যে পড়ে না। দেখেন বিশ্বের সব খেলায় খারাপ সময় আসে,‘দেখুন, এটা আসলে কোন সমস্যার মধ্যে পড়ে না।
আর যদি এটাকে আপনি সমস্যা বলেন, তাহলে আপনাকে এটাও মানতে হবে, বিশ্বের সব খেলাধুলারই একটা সমস্যা, শুধুমাত্র বাংলাদেশ ক্রিকেটের নয়। বিশ্বের সকল ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকেই এটা পার করে যেতে হয়।’
এ সময় বিষয়টি আরও পরিষ্কার করার জন্য ইংলিশ ফুটবল ক্লাব লিভারপুলের কথা বলেন এই প্রোটিয়া। টানা ৪৪ ম্যাচ জেতা লিভারপুল তলানির দল ওয়াটফোর্ডের কাছে হেরে যাওয়াটাও যে একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত- সেটিই মনে করিয়ে দেন ম্যাকেঞ্জি।
তিনি বলেন, ‘আপনি যদি লিভারপুলের মতো একটা শক্তিশালী ফুটবল ক্লাবের কথা বলেন, তারা লম্বা সময় ধরে (টানা ৪৪ ম্যাচ) কোনো ম্যাচ হারেনি; কিন্তু হুট করেই নিচের সারির একটা দল (ওয়াটফোর্ড) তাদের ৩ গোল দিয়ে দিল। আমাদের আসলে বুঝতে হবে, এটা ক্রিকেট। যেখানে করার চেয়ে বলাটা অনেক সহজ।’
তাহলে এর সমাধান কী? ম্যাকেঞ্জির মতে, ‘আপনার ব্যক্তিত্ব কিন্তু স্কোরবোর্ডে ফুটে উঠবে না। আপনাকে রান করতে হবে।এছাড়াও আপনাকে ভালো টিমম্যান হতে হবে, আবার সেঞ্চুরিও করতে হবে। সকল নামকরা ক্রিকেটারকেই এটি মেনে খেলতে হয়।
বার্তাবাজার/কেএ