মেহেরপুরে প্রোমিকাকে নিয়ে পালানোর সময় প্রেমিকার স্বজনরা দেখে ফেলায় তপন (২৬) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রেমিকার স্বজনদের বিরুদ্ধে।
শনিবার রাত ১২ টার দিকে তাকে পিটিয়ে আহত করলে গতকাল রবিবার (০১ মার্চ) দুপুরে হাসপাতালে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
মেহেরপুর সদর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আনছার আলীর ছেলে তপন। আর প্রেমিকা বুড়িপোতা গ্রামের রশিদুল ইসলমের মেয়ে রোমানা (১৬)।
মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয় কিছু যুবক তপনকে উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। রোববার সকালে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। কিন্তু রাজশাহী নেয়ার পথে দুপুরের দিকে তার মৃত্যু হয়।
তপনের প্রেমিকা রোমানা বলেন, তার সঙ্গে তপনের দীর্ঘদিন ধরে প্রেম চলছিল। গত শনিবার রাতে তাদের পালিয়ে বিয়ে করার কথা ছিল। কথামতো তপন রাত ১২টার দিকে তার এক বন্ধুকে নিয়ে বুড়িপোতা যান। এ সময় রোমানা রাস্তায় বের হয়ে এলে তার এক মামা স্থানীয় চৌকিদার আনোয়ার হোসেন দেখে ফেলেন। তখন আনোয়ারসহ গ্রামের বেশ কয়েকজন গাছের ডাল দিয়ে তপনকে গণপিটুনি দেন।
তপনের বাবা আনছার আলী জানান, যারা আমার ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই।
এস আই অর্জুন কুমার সরকার জানান, রোববার বিকেলে ৯৯৯ থেকে ফোন করা হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি।
মেহেরপুর সদর থানার অফিস ইনচার্জ (ওসি) শাহ দারা খান বলেন, মেয়েটিকে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে, যাতে অভিযুক্তরা ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে না পারে। লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
বার্তাবাজার/এমকে