চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের মনোনীত ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ
আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১২ নং সরাইপাড়া ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ হতে মনোনয়ন পাওয়া দলীয় প্রার্থী নুরুল আমীন ও তাঁর সমর্থকদের সাথে মনোনয়ন না পাওয়া বর্তমান কাউন্সিলর ও বিদ্রোহী প্রার্থী সাবের আহমদের সমর্থকদের মধ্যে ঘটে সংঘর্ষের ঘটনা।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ১২ নম্বর সরাইপাড়া ওয়ার্ডের ঝর্ণাপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জানা যায়, নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন পরিকল্পনা সম্পর্কে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা শেষে ফেরার পথে আওয়ামী লীগের সদ্য মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আমিন ও তার সমর্থকদের প্রতি মনোনয়ন না পাওয়া বর্তমান কাউন্সিলর সাবের আহমদের সমর্থকরা নানান কটুক্ত ও বাজে মন্তব্য করলে উভয় পক্ষ বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পরে। যার এক পর্যায়ে সাবের আহমদের লোকজন মনোনয়ন প্রাপ্ত কাউন্সিলর প্রার্থী নুরুল আমীন ও তাঁর সমর্থকদের উপর হামলা চালান এবং একজনের মাথা ফাটিয়ে দেন।
নুরুল আমীনের উপর হামলার খবর দ্রুত গতিতে সারা এলাকায় ছড়িয়ে পরলে নুরুল আমীনের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং সাবের আহমদের সমর্থকদের উপর পাল্টা হামলা চালান।
এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের দলীয় কাউন্সিলর প্রার্থী নুরুল আমিন বলেন,নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন দায়িত্ব ও পরিকল্পনা সম্পর্কে ঝর্ণাপাড়া এলাকায় দলীয় নেতা কর্মীর সাথে এক বৈঠক শেষ করে ফেরার পথে কাউন্সিলর সাবের আহমদের ছেলে ফারুক আহমেদ অপু ও তার সহযোগীরা লাঠিসোটা নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে।
অপরদিকে হামলা সম্পর্কে বর্তমান কাউন্সিলর ও বিদ্রোহী প্রার্থী সাবের আহমদের ছেলে অপু হামলার কথা অস্বীকার করে বলেন, “আমরা কোন হামলা করিনি বা কারো সাথে কোন ঝামেলা হয়নি। তবে এটা ঠিক যে, ছাত্রলীগের একটি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে বাড়ি ফেরার পথে নুরুল আমীন আঙ্কেলের সাথে দেখা হয়েছিল।”
উভয় পক্ষের মধ্যে ঘটিত ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে বেশ কিছু লোক আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে যাদের নাম জানা যায় তারা হলেন, জাহেদুল আলম, খোকন, বাদশা, সাবিদ, জাভেদ ও লিটন। তারা সকলেই নুরুল আমীনের সমর্থক।
আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষের পর এলাকায় বিরাজ করছে টান টান উত্তেজনা। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।
বার্তাবাজার/কেএ