এখন থেকেই মশা নিধনে কাজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনেরের মেয়র এবং কাউন্সিলরদের এখন থেকেই মশা নিধনে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ২ মেয়র এবং ১৭১ জন কাউন্সিলদের শপথ অনুষ্ঠানে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের জনগণের আস্থা অর্জনে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার সকালে শপথ নেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ কার্যালয়ে শপথ পড়ান দুই মেয়রকে। শপথ নেন ১৭১ জন কাউন্সিলরও।

ভোট দেয়া বা না দেয়া নয় সকল নাগরিকের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে দুই সিটির নির্বাচিতদের কাজ করে যাওয়ার পরমর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে এখন থেকেই ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোট যেন মশা খেয়ে না ফেলে। ছোট্ট মশা অনেক বড় অর্জন খেয়ে ফেলতে পারে বলে তাদের সতর্ক করেন।

গ্রামের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, শহরের মানুষের পাশাপাশি গ্রামের মানুষেরও উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, গত ১০ বছরে দেশজুড়ে অনেক উন্নয়ন করেছে সরকার। এছাড়া অনেক উন্নয়নপ্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যেগুলোর কাজ চলছে। এর আগে ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পরও আমরা অনেক প্রকল্প নিয়েছিলাম।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে বিএনপি-জামায়াত সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেগুলো মুখ থুবড়ে পড়ে। সরকার বদল হবে, কিন্তু উন্নয়নপ্রকল্প যেন বন্ধ না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। ঢাকা শহরসহ সারা দেশে অনেক মেগাপ্রকল্প চলছে। এসব মেগাপ্রকল্পে অনিয়ম হলে আমি কাউকে ছাড়বো না। কেউ যদি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, দুর্নীতি করে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

কর্মসংস্থানের সুযোগ বিকেন্দ্রীকরণ করে গ্রাম পর্যায়ে নেয়াসহ সবার জন্য বাসস্থানের সুবিধাও করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতায় না থাকলেও দেশের উন্নয়ন যেন ধারাবাহিক ভাবে চলতে থাকে সে পরিকল্পনাও করা হয়েছে। সরকার আসবে, সরকার যাবে। কিন্তু উন্নয়নের গতিধারা যেন থমকে না যায়। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে যেসব উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছিল পরবর্তী সময়ে চারদলীয় জোট সরকার এসে সেগুলো থামিয়ে দেয়।

জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যারা ভোট দিয়েছে, যারা দেয়নি, তা দেখা যাবে না; একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সবার সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। সার্বিক উন্নয়ন করতে হবে। জনতার আস্থা-বিশ্বাস অর্জন করতে হবে।’

বার্তাবাজার/কে.জে.পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর