জাবি’র কর্মচারী সমিতির সম্পাদকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন জাবি কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে বাকি নিয়ে টাকা পরিশোধ না করার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার সাভার নামা বাজারস্থ মেসার্স কার্তিক স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী রতন সাহা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর এই অভিযোগপত্র জমা দেন।

জানা যায় খাইরুল ইসলাম বর্তমানে এস্টেট অফিসের পিয়ন পদে কর্মরত থাকলেও ৫ বছর আগে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ডাইনিংয়ের মেস স্টুয়ার্ড ছিলেন। মেস স্টুয়ার্ড থাকাকালীন সময়ে ডাইনিংয়ের বাজার করার জন্য তিনি কার্তিক স্টোর থেকে বাকিতে মালামাল ক্রয় করতেন। বাকিতে মালামাল ক্রয় করলেও এখনও পর্যন্ত তিনি সেই অর্থ পরিশোধ করেননি।

অভিযোগ পত্রে মেসার্স কার্তিক স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী রতন সাহা বলেন, “প্রতি মাসে খাইরুলকে টাকার জন্য চাপ দিলে বলে- হল প্রশাসন আমাকে সময়মত টাকা দেয় না। টাকা প্রতি বছরের জুন মাসে দেয়। টাকার হিসাব আমার কলাম বইয়ে লিপিবদ্ধ আছে। কোনদিন কি পরিমাণ, কত টাকার মালামাল নিয়েছে, তার হিসাব তারিখ সবই উল্লেখ আছে।”

অভিযোগের বিষয়ে খাইরুল ইসলাম বলেন, “এসব অভিযোগ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। আমার ভগ্নপতি নাইম হোসেন সাথে পারিবারিক কোলাহলের জের ধরে আমাকে রাজনৈতিভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা জন্য মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।

এর আগে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছিলো। রেজিস্ট্রার অফিসে পিয়ন পদে নিয়োগ দিতে তিনি ৫ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সুফিয়া কামাল হলের অ্যাটেনডেন্ট নাঈম হোসেন। তিনি অভিযুক্ত কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলামের ভগ্নিপতি।

এসব অভিযোগ এবং তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ বলেন, “অভিযোগ কপিটি আমার হাতে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে দোষীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর