দলীয় কোন পদ পদবী নেই। রাজনৈতিক নেতার বাসার দারোয়ানের ছেলে-এই পরিচয়ই সৌভাগ্যের দরজা খুলে দিয়েছে। হয়েছেন হাজার কোটি টাকার মালিক। সৌভাগ্যবান এই ব্যক্তি ভোলার সায়েম। হাজার কোটি টাকার মালিক হওয়ার সুবাদে ভোলা জেলার সর্বত্রই এখন অতিপরিচিত জনদের একজন এই সায়েম।
অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর হতদরিদ্র দারোয়ানের ছেলে সায়েম লাখপতি থেকে কোটিপতির সিঁড়ি বেয়ে হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তার বাবা সামসুল হক দেশবরেণ্য রাজনীতিক, দক্ষিণ বাংলার সিংহপুরুষ খ্যাত রাজনৈতিক নেতার ভোলা সদরকেন্দ্রীক বাসার দারোয়ান ছিলেন।
বাবা নেতার বাসার দারোয়ান এই পরিচয়কে সায়েম ভাগ্যবদলের সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করেছে। ভোলায় ছায়েম স্থানীয় সরকার বিভাগ, বিদ্যুৎ,খাদ্য, স্বাস্থ্য, ভূমি, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রকে পরিনত করেছেন। এসব অপকর্মে নেতা বটবৃক্ষ হয়ে সায়েমকে ছায়া দিয়ে রেখেছেন। ফলে ভোলার সর্বত্র সায়েমের অধিপত্য সুদৃঢ় ভিত্তি পেয়েছে,যা তাকে অর্থনৈতিক মজবুত ভিত্তি গড়তে সহায়ক হয়েছে।
ক্ষতার সুবিধাবঞ্চিত ভোলার আওয়ামীলীগ পরিবারের অনেকে অভিযোগ করেন, ২০০৯ সনে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আাসর পর ভোলার রাজনীতিকে রাতরাতি নেতা হয়ে অবিভূত হন বিপ্লব। এই বিপ্লবের চাচতো ভাই পরিচয় নিয়ে দারোয়ানের ছেলে সায়েম টেন্ডাববাজির অধিকর্তা হয়ে উঠেন।
গড়ে তোলেন ক্যাডার বাহিনী। ভোলা সদরের জাহানারা অর্কেড এর ৪ তলায় খোলেন অফিস, যেখান থেকে ভোলার সব টেন্ডার নিয়ন্ত্রন করা হয়। টেন্ডারবাজি আর চাঁদাবাজির মাধ্যমে সায়েম এখন হাজার কোটি টাকার গর্বিত মালিক বলে জনশ্রুতি আছে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি