২৮৬ রানে পিছিয়ে থেকে ৪র্থ দিন শুরু করে জিম্বাবুয়ে। ব্যাট করার জন্যে মাঠে আসেন ব্রেন্ডন টেইলর এবং কেভিন কাসুজা। সাবধানী শুরু করেন এই দুই ব্যাটসম্যান। তবে বেশীসময় এই জুটিকে স্থায়ী হতে দেননি তাইজুল। দলীয় ১৫ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ১০ রান নিয়ে তাইজুলের বলে মিথুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন কাসুজা।
এর আগে ২৯৫ রানে পিছিয়ে থেকে ২য় ইনিংস শুরু করে আরভিনের দল। ১ম ওভারেই নাঈমের স্পিন ভেলকিতে স্কোরে কোন রান যোগ না করেই দুই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানকে হারায় জিম্বাবুয়ে। ৩য় দিন শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ করে ৫ ওভারে ২ উইকেটে ৯ রান।
টাইগারদের ১ম ইনিংসে অসাধারন ব্যাটিংয়ে টেস্টে নিজের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরী তুলে নেন মুশফিক। ২৮ টি চারের বাউন্ডারির সাহায্যে ৩১৫ বলে দুইশতক পূর্ণ করেন মুশফিক।
মুশি দুই’শ করলেও টেস্ট ক্যারিয়ারের ৫ম অর্ধশতক তুলেই মাঠ ছাড়েন লিটন। দলীয় ৫৩২ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ৫২ রান নিয়ে মাঠ ছাড়েন এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।
৬ উইকেটে ৫৬০ রানে নিয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংস ডিক্লেয়ার করে মমিনুলের দল। লিড ২৯৫ রানের। মুশফিক ২০২ এবং তাইজুল ইসলাম ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
মাঠে সেট হয়েও দলীয় ৪২১ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ১৭ রান নিয়ে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন মিঠুন। একমাএ টেস্টের তৃতীয় দিনে মমিনুল নিজের ৯ম টেস্ট শতক তুলে নেন। ১৩২ রানে বিদায় নেন মমিনুল।
স্কোর: জিম্বাবুয়ে ১ম ইনিংস ২৬৫/১০(ক্রেগ আরভিন ১০৭, প্রিন্স মাসভাউরে ৬৪)। নাঈম ৪/৭০, রাহি ৪/৭১।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস ৫৬০/৬ ডিক্লে.(মুশফিক ২০৩*, মমিনুল ১৩২)। এইন্সলে এন্দোলভু ২/১৭০।
বার্তাবাজার/কেএ