মমিনুলের বিদায়ের পর মুশফিককে ভালোই সঙ্গ দিচ্ছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন। ভালো খেলতে খেলতে হঠাৎ খেই হারিয়ে ফেলেন এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। দলীয় ৪২১ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ১৭ রান নিয়ে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন মিঠুন।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৪৩০ রান। লিড ১৬৫ রানের। মুশফিক ১৪৩ এবং লিটন দাস ১ রানে অপরাজিত রয়েছেন।
এর আগে মিরপুরে মমিনুলের পর শতকের দেখা পান মুশফিকুর রহিম। লাঞ্চ বিরতির পরেই ১৬০ বলে টেস্টে নিজের ৭ম শতকের দেখা পান এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। এর আগে তৃতীয় দিনের শুরুতে সেঞ্চুরি করেন মমিনুল। ১৫৬ বলে নিজের ৯ম টেস্ট শতক পূর্ন করেন মমিনুল।
এর আগে তৃতীয় দিনের শুরুতে ১ম ইনিংসে ২৫ রানে পিছিয়ে থেকে মাঠে নামে মুশি-মমি। শুরু থেকেই জিম্বাবুয়েন বোলারদের শাষন করতে থাকতে থাকেন মমিনুল-মুশফিকরা। যার ফলে তৃতীয় দিনের ১ম সেশন উইকেট শূন্য থাকে সফরকারী বোলাররা।
১ম ইনিংসে জিম্ববুয়ের করা ২৬৫ রানের জবাবে রবিবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৪০ রান তোলে স্বাগতিকরা।
কাপ্তান মমিনুল ৭৯ এবং মুশফিক ৩২ রানে ২য় দিন শেষ করেন। এর আগে ক্রিজে সেট হয়েও মাঠে টিকে থাকতে পারেননি দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। শান্তর সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন বড় সংগ্রহের দিকে। শেষ পর্যন্ত উইকেটরক্ষক চাকাবার হাতে ক্যাচ দিয়ে ৪১ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
এছাড়া সাইফ হাসান ৮ এবং নাজমুল হাসান শান্ত ৭১ রান করে মাঠ ছাড়েন। এর আগে দিনের শুরুতে ৬ উইকেটে ২২৮ রান নিয়ে ২য় দিন শুরু করে আরভিনের দল। ৩৭ রান তুলতে বাকি ৪ উইকেট হারায় সফরকারীরা। ২৬৫ রানে থামে সফরকারীদের ১ম ইনিংস।
বার্তাবাজার/কেএ