জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন আগে নাকচ করে দেন হাইকোর্ট। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যগত বিষয়ে প্রতিবেদন চেয়েছেন হাইকোর্ট।
আগামী বুধবার বিকাল ৫টার মধ্যে সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের মাধ্যমে এই প্রতিবেদন দিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানিকালে গতকাল রবিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বিএসএমএমইউর প্রতিবেদনের মাধ্যমে তিনটি বিষয় জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। এগুলো হচ্ছেন আপিল বিভাগের আদেশ অনুযায়ী মেডিক্যাল বোর্ডকে খালেদা জিয়া অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের অনুমতি দিয়েছেন কিনা। অনুমতি দিলে সে অনুযায়ী বোর্ড চিকিৎসা শুরু করেছে কিনা এবং চিকিৎসা শুরু করলে বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা কী এ বিষয়ে সবশেষ তথ্য জানাতে হবে।
আদেশে হাইকোর্ট বলেন, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন আগে নাকচ করে দেন হাইকোর্ট। ওই আদেশের বিরুদ্ধে তিনি আপিল বিভাগে যান। আপিল বিভাগও কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়ে গত ১২ ডিসেম্বর আবেদন খারিজ করে দেন।
ওই খারিজ আদেশে উল্লেখ রয়েছে বিএসএমএমইউ কর্তৃক গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের ওপর বিস্তারিত প্রতিবেদন দিয়েছিল। আপিল বিভাগ ওই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে প্রদত্ত আদেশে উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়া সম্মতি দিলে তার অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্ট ‘বায়োলজিক্যাল অ্যাজেন্ট’ শুরু করবেন চিকিৎসকরা।
সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা প্রতিবেদনে তা জানতে চান হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পরবর্তী আদেশের জন্য জামিন আবেদনটি কার্যতালিকায় থাকবে বলেও আদেশে উল্লেখ করেছেন হাইকোর্ট।
বার্তাবাজার/এমকে