ভবিষ্যতে নির্বাচনের প্রচার প্রচারণায় জাতীয় পর্যায়ে আচরণবিধি পরিবর্তন করতে চান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে করেই মূলত আচরণবিধি পরিবর্তন করতে চান প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে একাদশ জাতীয় সংসদের ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীদের সাথে বসে নির্বাচন কমিশন। সেখানে প্রচার-প্রচারণা নিয়ন্ত্রণে ইসির পক্ষ থেকে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এই প্রস্তাবে সমর্থন দেন অংশ নেয়া প্রার্থীরা।
উপনির্বাচনে অংশ নেয়া প্রতিটি দল পাঁচটি শোভাযাত্রা করতে পারবে জানিয়ে সিইসি নুরুল হুদা বলে, যেখানে সুবিধা সেখানেই প্রার্থীরা শোভাযাত্রা করতে পারবেন। তবে কোনো জনসভা করা যাবে না। তিনি বলেন, আগামীতে নির্বাচনী আচরণবিধি পরিবর্তন করে এ বিধিগুলো যোগ করা হবে ’ জাতীয় পর্যায়ের জন্য অনেক বিধিই পরিবর্তন করে ফেলা হবে বলে জানান তিনি।
ঢাকা-১০ আসনের প্রার্থীদের সমর্থন পেয়ে নিজের সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ২১ জায়গায় পোস্টার লাগাতে পারবেন প্রার্থীরা। প্রতিটি ওয়ার্ডে তারা একটি করে অফিস করবেন, সেখানে পোস্টার লাগাতে পারবেন। এর বাইরে রাস্তা, অলি-গলিতে কোথাও পোস্টার টাঙাতে পারবেন না। এ ছাড়া লেমিনেটেড পোস্টারও টাঙাতে পারবেন না। অফিসের বাইরে একেবারেই মাইক বাজাতে পারবেন না।
ভোটের দিন গাড়ি চলাচল উন্মুক্ত থাকবে জানিয়ে সিইসি বলেন, ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনের দিন গাড়ি চলাচল উন্মুক্ত থাকবে।তবে মোটরসাইকেল চলবে না, অফিস খোলা থাকবে। আমরা সার্কুলার জারি করব যাতে অফিস থেকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে কর্মকর্তারা ভোট দিতে পারেন।
বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস