ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে নিজের ১৬ বছরের মেয়েকে শিকলে বেঁধে রেখে নিরাপত্তা দেন মা। শিকলে এইভাবে আটকে রাখার কারণ হিসাবে জানা গিয়েছে, ধর্ষণের হাত থেকে নিজের কিশোরী মেয়েকে বাঁচাতেই এই কাজ করা হয়েছে।
মেয়েটির মা লক্ষী বণিক জানিয়েছেন,তার মেয়েটি অত্যাধিক সরল। বাইরে বের হলে সরলতার সুযোগে যেন কেউ ফুঁসলিয়ে ধর্ষণ না করতে পারে তাই মেয়েকে এইভাবে বেঁধে রেখেছেন।
আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লক্ষী বণিক মেয়েটিকে নিয়ে একাই থাকেন বাড়িতে। তার সরল মেয়েটি ঘুরতে যেতে আর চকলেট খেতে ভালবাসে। বাইরে বের হলে যাতে কেউ কোনো কিছুর প্রলোভন দেখিয়ে তোলে নিয়ে যেতে না পারে তার জন্য মেয়েকে সব সময় নিজের চোখের সামনে রাখেন লক্ষী। নিজের সাথে রাখার সুবিধার্থেই পায়ে শিকল পড়ানো হয়েছে।
লক্ষী বাড়ির কাছেই ছোট একটা দোকান চালান। সারাদিনই তাকে দোকানে বসে থাকতে হয়। দোকানের কাজ করে মেয়েটিকে বাড়িতে একা রাখা নিরাপদ মনে না করায় বেড়ি পড়িয়ে সাথে করে নিয়ে যান। আবার সন্ধায় সাথে করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। শুধু সন্ধায় কিছুক্ষন শিকল খোলা রেখে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় আবার পায়ে পড়িয়ে দেন।
লক্ষী বলেন, ‘চারপাশে যেভাবে ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে, মেয়েটিকে নিয়ে খুব আতংকে থাকি। নিরাপত্তার জন্যই বেড়ি পড়িয়েছি ওর পায়ে।’
বার্তাবাজার/এসজে