পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেছেন, বাংলাদেশ এখন এগিয়ে গেছে। আমরা এখন পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করছি, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু করছি। এছাড়া কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ৪ কিলোমিটার লম্বা টানেল নির্মাণ করছি; যা আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতও করতে পারেনি।
বৃহস্পতিবার উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউপির মোবারকপুর গ্রামে মোবারকপুর বঙ্গবন্ধু উচ্চবিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক সভ্যতা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত আছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে রাষ্ট্র হিসেবে এবং জাতি হিসেবে আমরা ক্রমশই উন্নতির পথে এগুচ্ছি। রাষ্ট্রের কল্যাণে সঠিক সময়ে কর প্রদানে নাগরিকদের উৎসাহিত করতে হবে। নাগরিকদের করভীতি দূর করতে কর আইনজীবিদের এগিয়ে আসতে হবে।
কর আদায়ের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, কর আদায়ে অভিযান নয়; পারস্পারিক আলোচনার মাধ্যমে টার্গেট বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। কর আদায়ে নাগরিক বান্ধব মনোভাব থাকতে হবে। তিনি বলেন সুষ্ঠুভাবে কর গ্রহণ এবং প্রদানের জন্য আধুনিক গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করবো। সিলেটের কর ভবনের দাবি উঠেছে, আমি মন্ত্রীপরিষদে শিগগিরই ব্যাপারটি নিয়ে আলোচনা করবো।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে এখনও কিছু লোক রয়েছে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায় না স্বাধীনতার বিরুদ্ধে এখনও অবস্থান নিয়েছে। তারা বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে দেশে ধ্বংসাত্বক কর্মকাণ্ড করে মানুষ খুন করে, এরা অন্য দেশের অন্য সংস্কৃতি ভাবধারার মানুষ, তারা প্রকৃত বাঙালি নয়, বাঙালি হিন্দু নয়, বাঙালি বৌদ্ধ খ্রিস্টান নয়।
তিনি বলেন, আমাদের এই দেশ একদিন পরাধীন ছিল, অন্য দেশের দখলে থাকায় আমাদের কোনো মান-সম্মান ছিল না। আমাদের নিজস্ব ভাষা থাকতেও পাকিস্তানিরা আমাদের জন্য নিয়ে এল উর্দু ভাষা। কিন্তু আল্লাহতালার অশেষ রহমতে আমরা মাতৃভাষা পেয়েছি, স্বাধীনতাও পেয়েছি।
মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নারী-পুরুষে ভেদাভেদ করে না। আমরা চাই পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও ইমানের সঙ্গে ভদ্রতার সঙ্গে সভ্যতার মধ্যে একসঙ্গে মিলে কাজ করতে।