১১ তম গ্রেডের আশ্বাসের দোলাচলে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষকরা

কেন একই পেশায় (প্রাথমিক শিক্ষকতা) নিয়োজিত থেকে,শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বেতনের গ্রেডের ফারাক এত ? অন্য পেশায় তো এমন ব্যবধান নেই।আর কতকাল প্রাথমিক সহকারি শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য জিইয়ে থাকবে ? আশ্বাসের দোলাচলে দুলবে তারা ! এর একটা উপযুক্ত ও সম্মানজনক বিহিত করতে হবে।নয়তো এই বৈষম্য কখনোই নিরসন করার সুযোগ নেই।

গত আন্দোলনে বেতন বৈষম্য সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিল সরকার ও কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সে আশা ক্রমশ: ফিকে হয়ে এসেছে বর্তমানে।অথচ প্রাথমিক শিক্ষকদের ধারাবহিকতায় অন্য সকল শিক্ষক আন্দোলনে কিছুনা কিছু দাবি আদায় হয়েছে।পারেনি কেবল প্রাথমিকের শিক্ষকরা। এজন্য কর্তৃপক্ষের গরিমসির পাশাপাশি বৃহত্তর শিক্ষক সমাজ নেতাদের দায়ি করছেন।

মাননীয় মন্ত্রী, সচিব সহ দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ সময়ে সময়ে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষকদের দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।১১ তম গ্রেড তথা প্রধান শিক্ষকদের পরের ধাপে বেতন নির্ধারণের আশ্বাস দিয়েছেন।কিন্তু তার কোন চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়া হচ্ছেনা।বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে শিক্ষকরা আবার আন্দোলনে নামার পথে চলেছেন।শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য সমাধান না করে কিভাবে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন হবে বলা মুশকিল।

একেক সময় একেক বক্তব্যও শিক্ষকদের মাঝে ক্ষোভের জন্ম দিচ্ছে।গুটি কয়েক নেতার নীরবতা আর চামচামি ক্ষোভের মাত্রাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে।১১ তম গ্রেডের আশ্বাসকে বিশ্বাস করতে পারছেনা শিক্ষকরা।
ফাইনাল সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আশংকায়ই থাকতে হচ্ছে তাদের।

আর কোন আশ্বাস নয়। গেজেট প্রকাশের মাধ্যমেই প্রাথমিক সহকারি শিক্ষকদের ১১ তম গ্রেড প্রদানের চূড়ান্ত ফায়সালা করা উচিত।সেদিকেই তাকিয়ে লক্ষ লক্ষ শিক্ষক।

★ লেখক : শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর