টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ধর্ষণের শিকার সেই তিন ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ ওঠেছে।
প্রধান শিক্ষক বরাবর লিখিত আবেদন করেও তারা ক্লাস করার অনুমতি পায়নি। এ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে ।
ভুক্তভোগী ছাত্রীদের একজন বলেন, আমরা লেখাপড়া করতে চাইলেও স্কুল থেকে আমাদের টিসি দিয়েছে।
এক ছাত্রীর মা অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষককে অনেক অনুরোধ করেছি, কিন্তু তিনি আমাদের কথা শুনলেন না। তিনি আমার মেয়েকে তার স্কুলে পড়াবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।
এ নিয়ে ঘাটাইল এস ই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বুলবুলি বেগম বলেন, ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তে একজনকে এবং অপর দুই মেয়ে স্বেচ্ছায় টিসি নিয়েছে। ওরা যদি আবার এ স্কুলে পড়তে চায়, সে ক্ষেত্রে ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তে তাদের আবার স্কুলে ভর্তি করে নেওয়া হবে।
বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ঘাটাইল উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইমলাম লেবু জানান, মেয়েগুলো যদি স্কুলে আসে ওই অভিভাবকরা তাদের মেয়েদের এ স্কুলে আর রাখবেন না বলে জানিয়েছেন তারা। তবে অন্যদের খাপ খাইয়ে চলতে পারলে তারাও স্কুলে আসুক।
মেয়েগুলোতো ঘটনার শিকার। তারা কেন শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ছাত্রীটি এমন ঘটনার শিকার হয়েছিল, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবাই তার পাশে ছিল। ওদের বেলায়ও সবাইকে পাশে থাকা দরকার, বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমীর খসরু।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম শামসুল হক ছাত্রীদের পক্ষে আছে বলে জানান।
‘বিষয়টি জানার পর নিজেই ওই মেয়েদের অভিভাবক হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলার পরেও আর কোন্নো সমস্যা হলে তা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার।
বার্তা বাজার/এসজে