জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করা হোক বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, দুটোই দেশের স্বার্থে প্রয়োজন ছিল। যতই চাপ আসুক না কেন, আমরা নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে অনড় থাকছি এবং থাকব। বারানসির এক জনসভায় এ কথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
রোববার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ডাক পেয়েছিলেন মোদি। কিন্তু সেখানে না গিয়ে তিনি বারানসিতে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে সরকারের একরোখা মনোভাব আবারও স্পষ্ট করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এবং জম্মু–কাশ্মীর থেকে অনুচ্ছেদ ৩৭০ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে অনড় থাকবেন বলে জানান।
এর মাধ্যমে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে দেশজুড়ে এত বিক্ষোভ এত প্রতিবাদকে একবাক্যে উড়িয়ে দিলেন তিনি। সংশোধিত নাগিরকত্ব আইন ইস্যুতে সাধারণ মানুষেরা কেন প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, তা তিনি শুনতেই চান। সাধারণ মানুষের বক্তব্যের কোনও মূল্যই নেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে। এদিন আবারও সেটা স্পষ্ট করে দিলেন তিনি।
জম্মু–কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার নিয়ে দেশে আন্দোলনের কোনও চাপ পড়েনি। কিন্তু সিএএ নিয়ে আন্দোলন এখনও বর্তমান। এর মধ্যেই কিনা বারানসিতে এ ধরনের একগুয়ে মনোভাব প্রকাশ করলেন মোদি।
রোববার বারানসির এক জনসভায় মোদি বলেন, ‘জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করা হোক বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, দুটোই দেশের স্বার্থে প্রয়োজন ছিল। যতই চাপ আসুক না কেন, আমরা নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে অনড় থাকছি এবং থাকব।’
বার্তাবাজার/এমকে