বগুড়ায় বন্ধুকে দিয়ে নিজ স্ত্রীকে ধর্ষণ করানোর পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে রফিকুল ইসলাম নামে এক নরপশু স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জানা যায়, গত শনিবার দুপুরে রফিকুল ইসলাম ও তার এক অজ্ঞাত বন্ধু বগুড়া শহরের চকলোকমান এলাকার ভাড়া বাসার দেয়াল টপকে ঘরে প্রবেশ করে। তারপর তারা দুজন মিলে র তার স্ত্রী’র হাত পা ও মুখ বেঁধে মারপিঠ করার পর বন্ধুকে দিয়ে ধর্ষন করায়। ধর্ষন শেষে মাথার চুল কেটে স্ত্রীর শরীরে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে।
রোববার দুপুরে শহরের ঠনঠনিয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
নির্যাতিত নারীর পিতা মোঃ আলম মন্ডল থানায় করা অভিযোগে বলেন, বগুড়ার গাবতলী উপজেলার মালিয়ান ডাংগা গ্রামের তোজাম্মেল হকের ছেলে রফিকুল ইসলামের সাথে বিয়ে দেন তার মেয়েকে। বিয়ের পর পারিবারিক কলহের জের ধরে প্রায়ই তার মেয়েকে মারধরসহ নানাভাবে নির্যাতন করতো রফিকুল। ২০১৮ সালে এই বিষয়ে থানায় একটি মামলাও করেছিলেন তিনি (নং-৯০)।
৭ বছর বয়সী কন্যাশিশুকে নিয়ে তার মেয়ে বর্তমানে শহরের চকলোকমান এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতো। শনিবার (১৫ই ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রফিকুল ইসলাম ও তার এক অজ্ঞাতনামা বন্ধু এসে তার মেয়েকে মারপিঠের করে ধর্ষণ শেষে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করে।
মাললার আসামী রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতারের বিষটি নিশ্চিত করে শাহজাহানপুর থানার ওসি আজিম উদ্দিন জানান, প্রধান আসামী রফিকুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মেয়েটির ডাক্তারি রিপোর্ট আমাদের হাতে এসে পৌচালে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করা যাবে।
বার্তা বাজার/এসজে