মধ্যাঞ্চলকে বোনাস পয়েন্ট না দিতে মাত্র ১১৪ রানে ইনিংস ঘোষণা করে চরম বিপদের পথে রাজ্জাকের দক্ষিণাঞ্চল। ছয় উইকেট হাতে থাকার পরও ১২১ রানে পিছিয়ে থেকে ইনিংস ঘোষণা করেন দক্ষিণাঞ্চলের কাপ্তান আব্দুর রাজ্জাক। তবে দক্ষিণাঞ্চলের ম্যানেজার নাফিস ইকবাল জানান, দলকে ফাইনালে তুলতেই তাদের এ কৌশল।
কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে শনিবার দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনের মাঝামাঝি ইনিংস ঘোষণা করে পরাজয়ে শঙ্কায় পড়েছে দক্ষিণাঞ্চল।
বিসিএলের বাইলজ মোতাবেক, প্রথম ১০০ ওভারে পাঁচ উইকেট নেয়ার জন্য প্রতিটি দল পাবে ০.৫ পয়েন্ট। সাত উইকেট নিলে পাওয়া যাবে এক পয়েন্ট। নয় বা তার বেশি উইকেটের জন্য ১.৫ পয়েন্ট। বোলিংয়ে সর্বোচ্চ পাওয়া যাবে দেড় পয়েন্ট।
শুক্রবার ম্যাচের প্রথম দিন ২৩৫ রানে অলআউট হয়েছিল মধ্যাঞ্চল। জবাবে দিন শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ২৯ রান করেছিল আব্দুর রাজ্জাকের দল। শনিবার ম্যাচের দ্বিতীয় দিন মধ্যাঞ্চলের সংগ্রহকে ছাড়িয়ে যাবে তারকাবহুল দক্ষিণাঞ্চল-এমনটাই ছিলো অনুমেয়। কিন্তু এখানেই চালাকি করে দক্ষিণাঞ্চল।
দক্ষিণাঞ্চল যখন ইনিংস ঘোষণা করে তখনও দিনের খেলা বাকি ছিলো ৭১ ওভার। ১২১ রানের লিড থাকা মধ্যাঞ্চলের সামনে সুযোগ আসে দক্ষিণাঞ্চলকে বড় লক্ষ্যের নিচে চাপা দেয়ার। সে সুযোগটা কাজে লাগিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
নাজমুল হোসেন শান্তর অপরাজিত ১২২ রানে ছয় উইকেটে মধ্যাঞ্চলের সংগ্রহ ২০৯ রান। প্রথম ইনিংসে ১২১ রান লিড পাওয়ার সুবাদে তারা এখন ৩৩০ রানে এগিয়ে।
মধ্যাঞ্চলের লিড তিনশ ছাড়িয়ে যাওয়া নিশ্চিত পরাজয়ই চোখরাঙানি দিচ্ছে দক্ষিণাঞ্চলকে। কেননা তৃতীয় দিন যদি এ লিড চলে যায় চারশ ছাড়িয়ে, তখন ম্যাচ জেতা বা ড্র করা বেশ কঠিনই হবে আব্দুর রাজ্জাকদের।
মধ্যাঞ্চল যদি ম্যাচটিতে জিতে যায় তাহলে অতি চালাকির ফলটা হাতেনাতেই পেয়ে যাবে দক্ষিণাঞ্চল। কেননা বিসিএলের বাইলজ অনুযায়ী, কোনো দল টানা দুই ম্যাচ জিতলে বোনাস পাবে পুরো ১ পয়েন্ট। যার ফলে মধ্যাঞ্চলের ০.৫ বোনাস আটকাতে গিয়ে পুরো ১ পয়েন্ট দিয়ে দেবে দক্ষিণাঞ্চল।
এমনটি হলে মধ্যাঞ্চল থেকে পিছিয়ে যাবে দক্ষিণাঞ্চল তখন ফাইনাল খেলবে মধ্যাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চল। চালাকি করার জন্য বাদ পড়ে যাবে আব্দুর রাজ্জাকদের দক্ষিণাঞ্চল।
বার্তাবাজার/কেএ