আশুলিয়ার টাকসুর এলাকার বাসিন্দা আওলাদ হোসেন নামের এক ব্যাক্তিকে ৫টি ভূয়া ওয়ারেন্টে ৬৮ দিন হাজতে রাখার অভিযোগ এসেছে। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এইসব ভুয়া পরোয়ানা
একে একে পাঁচটি মিথ্যা ওয়ারেন্টের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই করতে হয় তাকে। মুক্তি পান ৬ই জানুয়ারিতে। এই ঘটনায় বাদী হয়ে তিনি আশুলিয়া থানায় গত ১১ই ফেব্রুয়ারি ৮ জনকে আসামী করে একটা মামলাও করেছেন বলে জানা গিয়েছে। মামলার তদন্তের ভার নিয়েছেন সিআইডি।
সাভারের গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রোগ্রাম অফিসার আওলাদ হোসেন জানান, বাইশমাইল গণস্বাস্থ্যে কেন্দ্রের কাছে তার একখন্ড জমি নিয়ে ঝামেলা বাঁধে সাভার বাজার রোড এলাকার দানেশ ঢালীর সাথে। দানেশ ঢালী আওলাদকে শায়েস্তা করতে একটা প্রতারক চক্রের সাথে মিলে তার বিরুদ্ধে এই ভুয়া ওয়ারেন্ট জারি করিয়ে হাজতবাস করান।
নারী নির্যাতনের অভিযোগে কক্সবাজারে করা এক মামলায় ২০১৯ সালের ৩০শে অক্টোবর আশুলিয়া থেকে আওলাদকে পুলিশে ধরে। কিন্তু পুলিশ তদন্ত করে আওলাদকে নির্দোষ হিসাবে পেয়ে মামলা থেকে নিস্তার দেয়।
কিন্তু মুক্তি পাওয়ার আগেই আবার নারি নির্যাতনের অভিযোগে রাজশাহিতে করা এক মামলায় আরেকটা ওয়ারেন্ট আসে আওলাদের নামে। এভাবে পালাক্রমে বাগেরহাট,শেরপুর, ও ঢাকার আদালত থেকে আসতে থাকে ওয়ারেন্টগুলো।
পরবর্তীতে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর আওলাদের স্ত্রী হাইকোর্টে রিট করার পরিপ্রেক্ষিতে ১০ ডিসেম্বর রুল জারি করে আদালত। কিন্তু মাঝখান দিয়ে ৬৮টি দিন কারাগারে থাকতে হয় আওলাদ হোসেনকে।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য আশুলিয়া থানার ওসি রিজাউল হক দীপুর মোবাইলে বেশ কয়েকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
বার্তা বাজার/এসজে