৫ বছর পর ভারতের সুপ্রিম কোর্টে বাংলাদেশের কিশোরী ফেলানি হত্যা মামলার শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ই ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি কে এম জোসেফ ও ওয়াই চন্দ্রচূড়ের আদলতে বাংলার মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চের সেক্রেটারি কিরাটি রায় ও ফেলানির পিতা নুরুল ইসলামের করা রিটের শুনানিতে সরকার পক্ষ বক্তব্য পেশ করেছে বলে জানা গিয়েছে। ১৮ই মার্চ পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য্য করা হয়েছে।
মামলার অন্যতম আবেদনকারী কিরাটি রায় জানিয়েছেন আগামী ১৮ই মার্চ আবেদনকারীর পক্ষের বক্তব্য আদালতে পেশ করা হবে। ২০১৫ সালের ২ জুলাই সুপ্রিম কোর্টে ফেলানি হত্যার বিচার চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছিল। আদালত পিটিশনটি গ্রহণ করলেও গত ৫ বছরে নানা সময়ে দিন ধার্যের কথা জানা গেলেও কোনও শুনানি হয়নি।
এর আগে দুইবার বর্ডার সেভিং ফোর্স(বিএসএফ) এর আদালতে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে নির্দোষ ঘোষণা করে রায় দেয়া হয় । তারপরই সুপ্রিম কোর্টে রিট করা হয়।
ভারতের মানবাধিকার কমিশন ফেলানি হত্যার তদন্তের পর ৫ লক্ষ রুপি ক্ষতিপূরণ দেবার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই ক্ষতিপূরন আজও পায়নি ফেলানির পরিবার।
উল্লেখ,ফেলানি খাতুন ২০১১ সালের ৭ই জানুয়ারি পিতার সাথে বাংলাদেশে ফিরছিলেন। সীমান্তের কাঁটাতারে ফেলানীর জামা আটকে যাওয়ায় টা ছাড়ানোর জন্য চিৎকার করছিল ফেলানি। চিৎকার শোনে কোনোরুপ ভ্রুক্ষেপ না করেই বিএসএফ জোয়ান অমিয় ঘোষ গুলি করে ফেলানিকে হত্যা করে। দীর্ঘ ৫ ঘন্টা ফেলানির নিথর দেহটি কাঁটাতারে ঝুল্লেছিল। সেই ছবি সারা বিশ্বের মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যপক সমালোচনা হয় তখন।
বার্তা বাজার/এসজে