শেরপুরে ঝুকিপূর্ণ বসতবাড়ী সংস্কারে বাধা

সংস্কারের অভাবে জমিলা বিবির ঘরের টিনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। ঘরের পাশের রাস্তা দিয়েই গ্রামের সাধারণ মানুষদের অবাধে চলাচল। যেকোন সময় টিনগুলো খুলে মাথার উপর পরে বড়ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এমন আতঙ্ক নিয়ে রাস্তা দিয়ে হাটছেন গ্রামবাসী। ঘটনাটি দেখা গেছে, বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বিশ্বা গ্রামের মকবুল হোসেনের স্ত্রী জমিলা বিবির বাড়ীতে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, জমিলা বিবির নিজ সম্পত্তির উপর নির্মাণ ঘরগুলো সংস্কার করার সময় একই গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদ মুন্সির ছেলে আমজাদ হোসেন ও আনোয়ার হোসেন এবং মৃত সোনা মিয়ার ছেলে আব্দুল মুন্নাফ সম্পত্তির মালিক দাবি করে ঘর সংস্কারে বাধা সৃষ্টি করে জমিলা বিবিকে সম্পত্তি ছেড়ে চলে যেতে বলে। জমিলা বিবি অস্বীকৃতি জানালে জীবননাশের হুমকি দেয় প্রতিপক্ষরা। তবে জমিলা বিবির ঘরের টিনগলো ঝুঁকিপূণ হয়ে ঝুলে আছে। আর ঝুঁকি নিয়ে পথ চলাচল করেছে সমস্ত গ্রামের মানুষ।

এসব বিষয় নিয়ে গ্রামবাসী আলতাফ হোসেন,আব্দুল খালেক, আলীমুদ্দিন, বাবলু, হাজ্বী আবুল হোসেন বলেন, ওই বসতবাড়ীর টিনগুলো আমাদের মাথার উপর যেভাবে ঝুলে আছে। যেকোন সময় টিনগুলো খুলে মাথার উপর পরে বড়ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এমন আতঙ্ক নিয়ে বরাবরই আমাদের এই রাস্তা দিয়ে পথ চলতে হচ্ছে গ্রামবাসীর। এ আতঙ্ক থেকে মুক্তি কামনা চাওয়া হয়েছে প্রসাশনের কাছে।

এ বিষয়ে বিশ্বা গ্রামের মকবুল হোসেনের স্ত্রী জমিলা বিবির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তার পিতা আব্দুর রব মুন্সির ঔরসজাত কন্যা জমিলা বিবি কে বিশ্বা মৌজা জে.এল.নং৬৪, এমআরআর ১৭৪নং খতিয়ান কছিমুদ্দীন হাজেরা খাতুন বিবি, সোনা মিয়া মুন্সি, আব্দুর রব মুন্সির নামে ১৩.৭০ একর সম্পত্তি। আব্দুর রব মুন্সি শরিকদের সহিত আপোষে বন্টন করে দখল অবস্থায় মাঠ রেকর্ড আমলে আব্দুর রব মুন্সির নামে ৬৫ নং ডিপি খতিয়ান প্রস্তুত হয়। তার ভোগ দখল অবস্থায় গত ১৪ আগষ্ট ১৮ সালে ৬৬২১ নং রেজি: মুলে ঔরসজাত কন্যা জমিলা বিবি হোবার দলিল করে দেয়। এতে জমিলা বিবি সাবেক ৮৫৮ হালে ১৬৩৭ দাগের .০৭ শতক সম্পত্তিতে বসতবাড়ী নির্মান করে বসবার করে এবং স্থানীয় রাজস্ব অফিসে ২৬০১ এর ২৯ নভেম্বর ১১ মূলে নিজ নাম জারী করলে ৯৯৯নং হিবে রাজস্বাদী পরিশোধ করে। কিন্তু মুন্নাফ সরকার দলীয় লোক হওয়ায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে জোর করে দখলের পায়তারা করছে এবং আমাকে বিভন্ন ভাবে হুমকি ধামকি প্রদান করছে। এমনকি জীবননাশের হুমকিও দিয়ে আসছে।

এ বিষয়ে মুন্নাফ জানান, সম্পত্তি তাদের হওয়ায় তারা বাধাগ্রস্থ দিয়েছে বলে তারা মাঠ রেকর্ড করেছে কিন্তু আমাদের নামে দলিল আছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী শেখ বলেন, রাস্তা দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পথ চলছে গ্রামবাসী এমন কোন অভিযোগ পাইনি, তবে বিষয়টি জানতে পেরেছি দ্রুত তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বার্তা বাজার/এম.সি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর