বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প পুরোটাই নির্ভর করে চীনের কাঁচামালের উপর। কিন্তু করোনা ভাইরাস ইস্যুতে গত ২০ দিনে বাংলাদেশে আসেনি চীন থেকে কোন জাহাজ। চলতি মাসটা কোনোরকমে স্টকের কাঁচামাল দিয়ে চালানো গেলেও আগামী মার্চ থেকে হতে পারে বড় ধরনের শিল্প সংকট।
গত ২২ জানুয়ারি থেকে চাইনিজদের নববর্ষের অনুষ্ঠান শুরু হওয়ায় এমনিতেই ১০ দিন বন্ধ ছিল সকল প্রকার লেনদেন। তারপরই করোনা ভাইরাসের আক্রমন সারা বিশ্বের সাথে একরকম আলাদা করে দেয় চীনকে। যার কঠিন প্রভাব পড়তে শুরু করে বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতে।
বিজিএমইএ পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ জানান, শিপমেন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারনে আমরা ম্যাটেরিয়াল পাব না। এরফলে আমাদের পরবর্তীতে এক্সপোর্টগুলো ফেল করবে। শ্রমিকদের কাজ দিতে না পারায় তারাও বেকারে পরিণত হবে।
গার্মেণ্টস ব্যবসায়ীদের মতে, দেশের গার্মেন্টস শিল্পে ব্যবহৃত স্ক্যান রিডার- বোতাম,ট্যাগ, বারকোড, ফেব্রিক্স-সুতা-এক্সেসরিজ থেকে শুরু করে ডাইং কেমিকেল, এবং জিপার পর্যন্ত আসে চীন থেকে।
বিজিএমইএ ভাইস প্রেসিডেন্ট এ এম চৌধুরী সেলিম বলেন, দ্রুত কোনো সমাধান না হলে মার্চ থেকেই সঙ্কটে পড়ে যাব আমরা।
প্রতিমাসে ৩০/৩৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে চীন থেকে কাচাঁমাল নিয়ে নোংগর করে। কিন্তু করোনা ভাইরাস আতংকে চীন থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমান জাহাজ আসা কমে গিয়েছে।
বিজিএমইএ-এর মতে গত অর্থ বছরে গার্মেন্টস শিল্প থেকে রফতানি আয় ছিল ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। চলতি অর্থ বছরের প্রথম সাত মাসে ১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়েছে।
বার্তা বাজার/এসজে