ধীরগতিতে হচ্ছে টঙ্গীবাড়ী-হাসাইল রাস্তার সংস্কার কাজ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার টঙ্গীবাড়ী-হাসাইল যাতায়াতের প্রধান সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের ধীরগতির কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের।

টঙ্গীবাড়ী উপজেলার ধীপুর, পাঁচগাঁও, হাসাইল, কামারখাড়া ইউনিয়নসহ লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়ন ও শরিয়তপুর জেলার কয়েকটি উপজেলার হাজার হাজার যাত্রীরা প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। কিন্তু রাস্তাটি এক দিকে খানাখন্দ অন্য দিকে ঠিকাদার রাস্তটি খুড়ে রাখায় যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দীর্ঘ কয়েক বছর এই রাস্তাটি বেহাল থাকার পরে সংস্কার কাজ শুরু হলে এই অঞ্চলের লোকজন আশার আলো দেখতে ছিল। কিন্তুু ঠিকাদারে অবহেলার কারণে দুর্ভোগ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৮কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের রাস্তটির হাসাইল হতে সাতুল্লা পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তার সুড়কি ফেলে রোলার মেশিন দিয়ে ডলে রাখা হয়েছে। সাতুল্লা হতে গনাইসার পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক এক মাস আগে খনন করে রাখলেও ঐ অংশটি মেরামত না করায় ঐ স্থান দিয়ে যাতায়াত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পরেছে।

গনাইসার হতে টঙ্গীবাড়ী পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার রাস্তার কাজ শুরু না করায় আগের খানখন্দ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ওই রাস্তায় যান চলাচল অসম্ভব হয়ে পরেছে। এ ব্যপারে হাসাইল গ্রামের কতিপয় যাত্রীরা জানান, এ রাস্তার উপর দিয়ে কোন গাড়ি যেতে চায়না ফলে গাড়ির জন্য দীর্ঘ সময় দাড়িয়ে থাকতে হয় কয়েকগুন বেশি ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করতে হয়।

অটোরিক্সা চালক শরিফ জানান, এ রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালালে গাড়ির টায়ার স্পিংসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যায়। তাই সচরাচর আমরা এই রাস্তায় গাড়ি চালাইনা।

এ ব্যপারে হাসাইল বানারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হাওলাদার জানান, রাস্তার কাজ ধীরগতিতে হওয়ায় আমাদের চরম দুর্ভোগে পরতে হয়েছে। আমরা বাধ্য হয়ে কয়েক কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা সদরসহ দেশের অন্যান্যস্থানে যেতে হচ্ছে। ঠিকাদারকে আমরা দ্রদ কাজ করতে বলছি কিন্তু ঠিকাদার আরো লেবার কমিয়ে দিয়েছে।

এব্যাপারে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, রাস্তাটির দু পাশে খাল হওয়াতে রাস্তাটি প্রস্তুত করতে একটু সময় লাগছে। আমরা দ্রত শেষ করার চেষ্টা করছি।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর